৫ জুলাই, ২০২৬ | ২১ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৯ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

বৈরী আবহাওয়ায়: জাহাজ চলাচল বন্ধ

সেন্টমার্টিনে আটকা পড়েছে দুই হাজারের অধিক পর্যটক

বিশেষ প্রতিবেদকঃ বজ্রমেঘ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনে অন্তত দুই হাজার পর্যটক আটকা পড়েছে। সাগরে তিন নং সতর্ক সংকেতের কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ রুটে জাহাজ চলাচল না করায় এসব পর্যটক আটকা পড়েছে।

সাগর উত্তাল থাকায় টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে সেন্টমার্টিন দ্বীপে আটকা পড়েছে দুই হাজারের অধিক পর্যটক। বৈরী আবহাওয়ায় সমুদ্র উত্তাল থাকায় আজ বুধবার টেকনাফ থেকে কোনো জাহাজ সেন্টমার্টিনে যেতে না পারায় এসব পর্যটক আটকে পড়েছে। আজ সকাল থেকে মাঝারি ও হালকা বৃষ্টি হচ্ছে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ আনোয়ারী জানান, দ্বীপে বেড়াতে এসে দুই হাজারের বেশি পর্যটক আটকা পড়েছেন। বৈরী আবহাওয়ার কারনে কোন জাহাজ দ্বীপে না আসায় এসব পর্যটকরা টেকনাফে ফিরতে পারেনি। আটকেপড়া পর্যটকদের প্রয়োজনিয় সহযোগিতা করা হবে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল হাসান জানান, টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী ৭টি জাহাজ চলাচল করছে। তবে বৈরী আবহাওয়ায় ৩ নং সতর্কতা সংকেতের কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে জাহাজগুলো সেন্টমার্টিনে যাননি। এর আগে বেড়াতে যাওয়া দুই হাজারের মতো পর্যটক দ্বীপে আটকা পড়েছে। তাদের খোঁজ-খবর রাখা হচ্ছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে আগামীকাল সকালে কয়েকটি জাহাজ গিয়ে তাদের ফিরিয়ে আনা হবে।

কক্সবাজার জেলা ফিশিং বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল খালেক জানান, ঝড়ো হাওয়া সহ বৈরী আবহাওয়ার কারনে সমুদ্র উত্তাল থাকায় সাগরে মাছ ধরারত সকল ফিশিং ট্রলার উপকূলে ফিরে আসতে শুরু করেছে।

কক্সবাজার আবহাওয়া কার্যালয়ের আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘বজ্রমেঘের ঘনঘটা বৃদ্ধির ফলে কক্সবাজারের উপকূলে ৩নং স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এর প্রভাবে কক্সবাজারে ৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এ কারণে বঙ্গোপসাগর ও নাফনদী উত্তাল আছে এবং মাছ ধরার ট্রলারসহ সব ধরনের নৌযানকে নিরাপদ স্থানে থাকতে বলা হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবারও এ সর্তক সংকেত বলবৎ থাকতে পারে।’

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।