২১ মে, ২০২৬ | ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৩ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান   ●  চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন   ●  বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিএনপি’র পদযাত্রা মরণযাত্রা হয়ে উঠবে-সাবেক সাংসদ বদি

বিষন্নতা: এক নীরব ঘাতকের নাম

আমাদের মাঝে এমন কোন মানুষ হয়তো পাওয়া যাবে না, যার জীবনে কখনো বিষন্নতা বা ডিপ্রেশনে ভোগেননি। জীবনে চলার পথে আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হচ্ছি। বাড়ছে কাজের গণ্ডি, সেই সাথে সামাজিক, পারিবারিক, শিক্ষাজীবন, কর্মজীবন বা অন্তরঙ্গ সম্পর্কে বিভিন্ন প্রতিকূলতা বাড়ছে। তাই বিষন্নতার সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে আরো অনেক দৈনন্দিন সমস্যা। আমরা কতটুকুই বা জানি এই বিষন্নতা সম্পর্কে?

শতকরা ৫০-৮৫% মানুষের জীবনে বিষন্নতা বারবার ফিরে আসে। সুতরাং আমাদের জীবনধারা, দৃষ্টিভঙ্গি, চিন্তাভাবনা ইতিবাচক পরিবর্তন আনাটা জরুরি, যাতে করে আমরা বিষন্নতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারি। শুধু তাই নয়, বিষন্নতাকে নীরব ঘাতকও বলা হয়। কারণ এর জন্য আমাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। আমরা সহজেই বিভিন্ন পড়ি যদি আমাদের কর্মক্ষমতা, উজ্জীবনীশক্তি, কর্মস্পৃহা কমে যায় বিষন্নতার কারণে।

ইদানিং দেখা যাচ্ছে, বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম, ফেইসবুক, টুইটারে আমরা অধিক সময় অতিবাহিত করছি। পারিবারিক বন্ধন, আত্মীয়-স্বজনের সাথে যোগাযোগ দিনদিন কমে আসছে। আমরা অতি ব্যস্ত থাকি অন্যের জীবনধারা, সম্পর্ক, গতিবিধি পযালোচনা করত, কিন্তু আমরা আমাদের চার দেয়ালের পাশেই কি হচ্ছে পরিবারের লোকজন কে কোথায় আছে, কি করছে সেই ব্যাপারে কোন খবর নিচ্ছি না। আমাদের জীবনটা যেন ভার্চুয়াল জগতে আটকা পড়ে আছে। অন্যের জীবনের সাথে নিজের তুলনা করছে, যা আমাদের আত্মতুষ্ট হতে দিচ্ছে না। তাই মন ভাল করতে প্রকৃতির সাথে…

লেখক- শাহীন মাহমুদ রাসেল

সাংবাদিক

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।