২১ মে, ২০২৬ | ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৩ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান   ●  চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন   ●  বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিএনপি’র পদযাত্রা মরণযাত্রা হয়ে উঠবে-সাবেক সাংসদ বদি

লোহাগাড়ায় ছাত্রীকে হাত-পা বেধেঁ ধর্ষণঃ কোচিং সেন্টার মালিক লাপাত্তা

লোহাগাড়া প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ছাত্রীকে হাত-পা বেধে জোর পূর্বক ধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে এক কোচিং সেন্টার মালিকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে ঐ কোচিং সেন্টারটি বন্ধ করে দিয়ে ধর্ষক সাইফুল ইসলাম পলাতক হয়েছে। ধর্ষনের সময় ঐ ছাত্রীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা মুমুর্ষ অবস্থায় ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান। দীর্ঘ এক সপ্তাহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীণ থাকার পর গত ১৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার নিজ বাড়িতে ফিরেছে। এর আগে ১২ এপ্রিল দুপুরে আমিরাবাদ ইউনিয়নের উত্তর আমিরাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালস্থ ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের (ওসিসি) কো-অর্ডিনেটর ডাক্তার সৈয়দা মাফরুহা নিগার লোহাগাড়া থানায় এজাহার প্রেরণ করার প্রেক্ষিতে ধর্ষিতার মাকে বাদি করে মামলা নিয়েছে লোহাগাড়া থানা পুলিশ। মামলা দায়েরের বিষয়টি লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম নিশ্চিত করে বলেন, থানার এস আই বিকাশ রুদ্রকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়নি ধর্ষক সাইফুল ইসলাম। অনেকটা প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য সাইফুল গোপনে বিদেশ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে বলে ধর্ষিতার পরিবার সূত্র জানিয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, উত্তর আমিরাবাদের আব্দুস সোবহানের ছেলে ধর্ষক সাইফুল ইসলাম কিছু দিন আগে উত্তর আমিরাবাদে শৃজনশীল নামে একটি কোচিং সেন্টার খুলে। এলাকার ছেলে সাইফুলের অনুরোধে উত্তর আমিরাবাদ এমবি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর (ধর্ষিতা)ছাত্রী, তার বোন ও দুই ভাইকে উক্ত কোচিং সেন্টারে ভর্তি করানো হয়। সেই থেকে সাইফুলের সাথে ঐ ছাত্রীর পরিবারের যুগসূত্র তৈরী হয়।
ঐ ছাত্রীর মা বলেন,ঘটনার আগের দিন আমি বিশেষ কাজে আমার বড় মেয়ের শশুড় বাড়িতে যায়। ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক আটটার সময় অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম আমাকে ফোন করে আমি কোথায় জানতে চাইলে আমি বড় মেয়ের শশুড় বাড়িতে আছি বলে জানায়।তারপর সে আমার ঘরে এসে আমার মেয়েকে একা পেয়ে হাত-পা বেধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে গুরুতর আহত করে। এসময় আমার মেয়ের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে ধর্ষক পালিয়ে যায়, আর মুমুর্ষ মেয়েকে উদ্ধার করে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে দীর্ঘ এক সপ্তাহ চিকিৎসার পর গত বৃহস্পতিবার আমার মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে আসি। এরি মধ্যে গত ১৫ এপ্রিল ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের (ওসিসি) সহযোগিতায় লোহাগাড়া থানায় মামলা দায়ের করি। কিন্তু এখনো তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
যোগাযোগ করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই বিকাশ রুদ্র বলেন,আসামীকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অভ্যাহত আছে। সে যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারে সে জন্য আমরা বিমান বন্দর ও স্থল বন্দর সমূহে বিশেষ বার্তা প্রেরণ করেছি। আশা করি ধর্ষককে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে পারব।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।