১৫ মে, ২০২৬ | ১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ২৭ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  কক্সবাজারে উত্তম কৃষি চর্চায় টেকসই,নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত   ●  গবেষণার গুরুত্ব ও গবেষণা প্ল্যাটফর্ম নিয়ে CCDRC’র সেমিনার অনুষ্ঠিত   ●  আদালতের স্থিতাবস্থা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা, পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা   ●  উখিয়ার প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ফরিদ আহম্মদ চৌধুরীর ৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ।   ●  কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সিরাজুল হক ডালিম’র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান

প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পথে আসিফ ইমরানের অনুপ্রেরণার গল্প

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম পানখালী গ্রামের তরুণ শিক্ষার্থী আসিফ ইমরান এখন এলাকার গর্ব। সীমিত সুযোগ–সুবিধার মধ্যে থেকেও অদম্য অধ্যবসায় ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

আসিফ ইমরান হ্নীলা আলফালাহ একাডেমি থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করেন। বর্তমানে তিনি কক্সবাজার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী। ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ও স্বপ্নবাজ এই শিক্ষার্থী পড়াশোনার প্রতি ছিলেন মনোযোগী। প্রত্যন্ত গ্রামের নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করে তুলেছেন তিনি।

চলতি বছর আসিফ ইমরান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। একাধিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির এই সাফল্য তার মেধা ও নিরলস পরিশ্রমেরই স্বীকৃতি বলে মনে করছেন শিক্ষকরা।

আসিফ ইমরানের বাবা মৌলানা আবদুল মাবুদ ও মা আরেফা বেগম সন্তানের এই অর্জনে আবেগাপ্লুত। তাঁরা বলেন, সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও ছেলের পড়াশোনার ব্যাপারে কখনো ছাড় দেননি। এলাকার শিক্ষক ও স্বজনরাও আসিফের সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে আসিফ ইমরান বলেন, তিনি বিসিএস ক্যাডার হয়ে শিক্ষা খাতে কাজ করতে চান। শিক্ষার মাধ্যমে দেশ ও সমাজকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করাই তাঁর স্বপ্ন।
প্রত্যন্ত গ্রামের একজন শিক্ষার্থীর এমন সাফল্য নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণার উদাহরণ হয়ে থাকবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।