মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

পর্যটন শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব সবার-জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন

শেয়ার করুন

এম. এ আজিজ রাসেলঃ জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন বলেছেন, কক্সবাজার পুরো বিশ্বে স্বাস্থ্য নগরী হিসেবে খ্যাত। তাই এই অর্জনকে ধরে রাখতে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে প্রিয় শহরকে। এটা সকলের নৈতিক দায়িত্ব। যারা শহর পরিচ্ছন রাখার নিয়ম মানবে না তাদের পাঠানো হবে মফস্বলে।
বুধবার দুপুর থেকে ময়লা আবর্জনার ফেলার বাক্স বিতরণ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র (ভারপ্রাপ্ত) মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্যানেল মেয়র জিসান উদ্দিন জিসান, কাউন্সিলর সিরাজুল হক, কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম, কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন কবির, কাউন্সিলর আকতার কামাল, কাউন্সিলর হুমায়রা বেগম, কাউন্সিল আঞ্জুমান নাহার, সচিব রাসেল চৌধুরী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা খোরশেদ আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কবি সাহিত্যিক শামীম আকতার।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের পরিদর্শক মুমিনুল ইসলাম বলেন, ময়লা-আবর্জনার বাক্স স্থাপনের জন্য পৌরসভা থেকে ৮৮৪ স্পট চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিটি স্পটে সবুজ ও হলুদ রংয়ের দুটি করে ডাস্টবিন থাকবে। সবুজ রংয়ের ডাস্টবিনটি পচনশীল ও হলুদ রংয়ের ডাস্টবিনটি অপচনশীল ময়লা ফেলা হবে।

কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র (ভারপ্রাপ্ত) মাহবুবুর রহমান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২০০ ডাস্টবিন দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি হোটেল, আবাসিক ছাড়াও বিভিন্ন সড়কেও ডাস্টবিন গুলো বসানো হবে। দুটি ডাস্টবিনের বিপরীতে হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নূন্যতম একটি ফি ধরা হয়েছে। আবাসিক ও সড়ক গুলোতে বিনামূল্যে বসানো হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে আপাতত ২০টি করে দেওয়া হচ্ছে। প্রথমদিনে প্রায় ৫০ টি বিতরণ করা হয়।

ডাস্টবিন বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেন, এই ডাস্টবিন ব্যবহার সম্পর্কে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এটি বাস্তবায়ন হলে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যবান শহর গড়ে তোলা সম্ভব।

শেয়ার করুন