৫ মে, ২০২৬ | ২২ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৭ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সিরাজুল হক ডালিম’র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

পর্যটন শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব সবার-জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন

এম. এ আজিজ রাসেলঃ জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন বলেছেন, কক্সবাজার পুরো বিশ্বে স্বাস্থ্য নগরী হিসেবে খ্যাত। তাই এই অর্জনকে ধরে রাখতে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে প্রিয় শহরকে। এটা সকলের নৈতিক দায়িত্ব। যারা শহর পরিচ্ছন রাখার নিয়ম মানবে না তাদের পাঠানো হবে মফস্বলে।
বুধবার দুপুর থেকে ময়লা আবর্জনার ফেলার বাক্স বিতরণ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র (ভারপ্রাপ্ত) মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্যানেল মেয়র জিসান উদ্দিন জিসান, কাউন্সিলর সিরাজুল হক, কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম, কাউন্সিলর হেলাল উদ্দিন কবির, কাউন্সিলর আকতার কামাল, কাউন্সিলর হুমায়রা বেগম, কাউন্সিল আঞ্জুমান নাহার, সচিব রাসেল চৌধুরী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা খোরশেদ আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কবি সাহিত্যিক শামীম আকতার।

পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার কার্যালয়ের পরিদর্শক মুমিনুল ইসলাম বলেন, ময়লা-আবর্জনার বাক্স স্থাপনের জন্য পৌরসভা থেকে ৮৮৪ স্পট চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিটি স্পটে সবুজ ও হলুদ রংয়ের দুটি করে ডাস্টবিন থাকবে। সবুজ রংয়ের ডাস্টবিনটি পচনশীল ও হলুদ রংয়ের ডাস্টবিনটি অপচনশীল ময়লা ফেলা হবে।

কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র (ভারপ্রাপ্ত) মাহবুবুর রহমান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ২০০ ডাস্টবিন দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি হোটেল, আবাসিক ছাড়াও বিভিন্ন সড়কেও ডাস্টবিন গুলো বসানো হবে। দুটি ডাস্টবিনের বিপরীতে হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নূন্যতম একটি ফি ধরা হয়েছে। আবাসিক ও সড়ক গুলোতে বিনামূল্যে বসানো হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে আপাতত ২০টি করে দেওয়া হচ্ছে। প্রথমদিনে প্রায় ৫০ টি বিতরণ করা হয়।

ডাস্টবিন বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন বলেন, এই ডাস্টবিন ব্যবহার সম্পর্কে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এটি বাস্তবায়ন হলে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যবান শহর গড়ে তোলা সম্ভব।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।