১২ মে, ২০২৬ | ২৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ২৪ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  কক্সবাজারে উত্তম কৃষি চর্চায় টেকসই,নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত   ●  গবেষণার গুরুত্ব ও গবেষণা প্ল্যাটফর্ম নিয়ে CCDRC’র সেমিনার অনুষ্ঠিত   ●  আদালতের স্থিতাবস্থা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা, পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা   ●  উখিয়ার প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ফরিদ আহম্মদ চৌধুরীর ৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ।   ●  কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সিরাজুল হক ডালিম’র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান

টেকনাফে স্ত্রীর কর্মে অতিষ্ঠ হয়ে মালয়েশিয়া ফেরত স্বামীর আত্মহত্যা


টেকনাফে বিবাহিত স্ত্রীর চাল-চলন ও কর্মে অতিষ্ঠ হয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আতœহত্যা করেছে মালয়েশিয়া ফেরত স্বামী।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়-গত ৫ফেব্রুয়ারী রাত সাড়ে ৮টারদিকে টেকনাফ পুরান পল্লান পাড়ার হাফেজ ড্রাইভারের পুত্র মালয়েশিয়া ফেরত ২সন্তানের জনক আব্দুর রশিদ (৩৪) প্রতিবেশী জনৈক ছৈয়দ মাষ্টারের বাড়ির একটি গাছে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্বহত্যা করে। কারণ হিসেবে স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বললে বেরিয়ে আসে স্ত্রী সনজিদার নানা অনৈতিক কর্মকান্ড। মালয়েশিয়া প্রবাসে থাকাকালে স্ত্রী সনজিদা স্বামী আব্দুর রশিদের বন্ধু স্থানীয় ইউছুপের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে নানা অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়। তা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ সৃষ্টি হলে পৌর কমিশনার আবু হারেছ কমিশনারের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়ায় প্রায় ৩মাস পূর্বে আব্দুর রশিদ দেশে ফিরে এসে হ্নীলা জাদিমোরায় শ্বাশুড়ালয়ে বসবাস করে আসছিল। তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ হলে আবারো টেকনাফে নিজ বাড়িতে চলে আসে বসবাস করে। এরই ফাঁকে এক ব্যক্তির মোবাইলে আপত্তিকর ছবি দেখা নিয়ে আবারো কলহ হলে স্ত্রী সনজিদা স্বামীকে ফেলে চট্টগ্রাম চলে যায়। এতে স্বামী আব্দুর রশিদ ক্ষোভ ও অভিমানে ভেঙ্গে পড়ে গত শনিবারে বিপূল পরিমাণ ঘুমের ঔষুধ খেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে সুস্থ করে তোলা হয়। এরপরও স্ত্রী সন্তানদের কথা মনে আসায় নিরাশ হয়ে গাছে ফাঁস লাগিয়ে আতœহত্যা করে বলে লোকজন ধারণা করে। নৃশংস এই ঘটনার খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ পোস্টমর্টেমর জন্য থানায় নিয়ে আসে। ফেব্রুয়ারী সকালে পোস্টমর্টেমের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করা হয়। এই ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে পারিবারিক সুত্র জানিয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।