১৩ মে, ২০২৬ | ৩০ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ২৫ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  কক্সবাজারে উত্তম কৃষি চর্চায় টেকসই,নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত   ●  গবেষণার গুরুত্ব ও গবেষণা প্ল্যাটফর্ম নিয়ে CCDRC’র সেমিনার অনুষ্ঠিত   ●  আদালতের স্থিতাবস্থা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা, পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা   ●  উখিয়ার প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ফরিদ আহম্মদ চৌধুরীর ৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ।   ●  কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সিরাজুল হক ডালিম’র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান

টাকা জমানোর সহজ উপায়গুলো জেনে নিন

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সাধারণত আয়ের ১০-১৫ শতাংশ সঞ্চয় করতে হয়। তাঁদের মতে, এমন একটা তহবিল গঠন করতে হবে, যার মাধ্যমে আপনি অনায়াসে তিন থেকে ছয় মাস কোনো উপার্জন ছাড়াই চলতে পারেন। এই পরিমাণ অর্থ জমাতে না পারলেও সমস্যা নেই। ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করুন। কাজটি কয়েক দফায় করা যেতে পারে। একটা সময় দেখবেন, ছোট ছোট লক্ষ্য আপনার বড় লক্ষ্য পূরণ করেছে।

স্বয়ংক্রিয় সঞ্চয়

 
ব্যাংকে একটি সঞ্চয়ী হিসাব অবশ্যই খুলবেন। সেখানে প্রতি মাসে গিয়ে অর্থ জমা দেওয়া হয়তো আপনার কাছে বিরক্তিকর। এতে অভ্যস্ত হওয়াও কঠিন। সে ক্ষেত্রে আপনার সেভিংস অ্যাকাউন্টে অন্য কোনো অ্যাকউন্ট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্থ জমা পড়বে—এমন ব্যবস্থা করে নিতে পারেন। তাহলে আর পেরেশানিতে পড়তে হবে না।

সঞ্চয়ী ক্লাব

 
এটাও সম্ভব। বাড়ির সব সদস্য মিলে অর্থ জমানোর লক্ষ্য নিন। সবাই মিলে একটা ক্লাব করে ফেলুন। এতে সঞ্চয়ের কাজটা উপভোগ্য হয়ে উঠবে। সবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটা পরিমাণ অর্থ জমানোর লক্ষ্য নির্ধারিত হবে। কাজটা বন্ধুদের সঙ্গেও করা যায়। সব মিলিয়ে যে অর্থ জমা পড়বে, তাই হবে পরিবারের জরুরি মুহূর্তের তহবিল।

বাড়তি খরচ বাদ দিন

 
প্রত্যেকের জীবনেই এমন কিছু খরচ রয়েছে, যা বাড়তি। প্রতিদিনের জীবনযাপনে নজর দিলেই অবাঞ্ছিত খরচের হিসাব খুঁজে পাবেন। আপনার অর্থ কী কী খাতে যাচ্ছে, তার একটা বিস্তারিত তালিকা করে ফেলুন। দেখবেন, সেখানে এমন অনেক বিষয়ে আছে, যা না হলেও আপনার চলে।

অপ্রয়োজনীয় জিনিসকে ‘না’

 
এখন কেনাবেচা কঠিন কোনো কাজ নয়। বাড়িতে যা দরকার নেই বা পুরনো হয়ে গেছে, তা বিক্রি করে দিন। বেশ কিছু অর্থ তো আসবেই।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।