২১ মে, ২০২৬ | ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৩ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান   ●  চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন   ●  বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিএনপি’র পদযাত্রা মরণযাত্রা হয়ে উঠবে-সাবেক সাংসদ বদি

‘গ্লোবাল মোবাইলগভ’ পুরস্কার পাচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ

‘গ্লোবাল মোবাইলগভ’ পুরস্কার পাচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ

দেশে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়ন ও সচেতনতা তৈরিতে ভূমিকা রাখার জন্য সম্মানজনক ‘গ্লোবাল মোবাইলগভ’ পুরস্কার পাচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ।

যুক্তরাজ্যের ব্রাইটনে আগামী রোববার থেকে মঙ্গলবার (৭ থেকে ৯ মে) অনুষ্ঠিতব্য ‘মোবাইল গভর্নমেন্ট ওয়ার্ল্ড সামিট-২০১৭’ অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা ও পুরস্কার তুলে দেয়া হবে।

জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে, আর্কিটেক্ট অব ডিজিটাল বাংলাদেশ সজীব ওয়াজেদ জয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং আইসিটি প্রতিমন্ত্রীর একনিষ্ঠ কর্মউদ্যোগে ডিজিটাল বাংলাদেশের দৃশ্যমান আগ্রগতি সাধিত হয়েছে। সে অগ্রযাত্রার কল্যাণে দেশের মানুষ এখন ৪০ শতাংশেরও বেশি সরকারি সেবা এখন হাতের মুঠোয় পেয়ে যাচ্ছে। আর এই সেবা জনগণের দোরগোরায় পৌঁছে দিতে শক্তিশালী ও অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রেখেছে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি’ কর্মসূচি। ফলে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ অত্যন্ত সম্মানজনক এ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে।

এ ধরনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ডিজিটাল বাংলাদেশের এগিয়ে চলা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গণে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সঠিক রূপরেখার যথার্থতা প্রমাণ করে। এই পুরস্কার এম-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠায় প্রেরণা জোগাবে, সবার সমন্বিত কর্মপ্রচেষ্টা নতুন উদ্যোম পাবে বলেও যুক্ত করেন তিনি।

জানা গেছে, চূড়ান্ত পর্যায়ে পুরস্কারের জন্য বাংলাদেশসহ ১১ দেশের ১৩টি প্রকল্প রয়েছে। প্রতিযোগী অন্যান্য দেশগুলো মধ্যে রয়েছে মালয়েশিয়া, নেপাল, রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, কলাম্বিয়া, স্লোভাকিয়া, তুরস্ক, চিলি, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ভারত।

উল্লেখ্য, তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ থেকে ‘জাতীয় পর্যায়ে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি’ কর্মসূচিতে ১০০টি মোবাইল অ্যাপ উন্নয়ন করা হয়। সারাদেশে দুই হাজার ৩০০ জন শিক্ষার্থী ও ফ্রিল্যান্সারকে অ্যাপ উন্নয়নে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়, পাশাপাশি পাঁচ শতাধিক সরকারি ডোমেইন এক্সপার্টকে নিয়ে এই কর্মসূচিতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।