২৪ মে, ২০২৬ | ১০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৬ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান   ●  চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন   ●  বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিএনপি’র পদযাত্রা মরণযাত্রা হয়ে উঠবে-সাবেক সাংসদ বদি

উখিয়ার ৪৫ হাজার একর বনভুমি বন বিভাগ ও সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে

উখিয়া উপজেলার ৪৫ হাজার একর বনভুমি বন বিভাগ ও সরকারের নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেছে। অধিক জন সংখ্যার চাপ, যত্রতত্র অবৈধ করাত কল, সন্ত্রাসী কাঠ চোরদের দৌরাত্ম, বন কর্মকর্তাদের সদিচ্ছা ও সাধারণ জনগণের দেশ প্রেমের মারাত্মক অভাব এর জন্য দায়ী। সরকারী উদ্দ্যোগে এসব বনভূমি সামাজিক বনায়নের আওতায় এনে স্বল্প মেয়াদী বাগান রোপন করা হলে আগামী ১০ বছর পর সরকার যেমন লাভবান হবেন, তেমনি পাল্টে যাবে উখিয়ার হাজারো মানুষের ভাগ্য। এমন অভিমত সচেতন মহলের।
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, উখিয়া উপজেলার ২টি রেঞ্জ ও ১১টি বন বিটের অধীনে প্রায় ৪০ হাজার একর সরকারী বন ভুমি রয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রত্যেক সরকারের আমলেই উখিয়ার সরকারী বনভুমিতে প্রতিবছর লাখ লাখ টাকা ব্যায়ে বাগান রোপন করা হয়। উক্ত বাগানের চারা গাছ গুলো বড় হওয়ার সুযোগ পায়না। সন্ত্রাসী কাঠচোর ও বন দস্যুরা প্রতিনিয়ত দিন দুপুরে ও রাতের আধারে পৈত্রিক সম্পত্তির মত কেটে নিয়ে যায়। বন কর্মকর্তারা শত চেষ্টা করেও কাঠ চোর সন্ত্রাসী ও বন দস্যুদের দমন করতে পারেনা। যার কারণে এক সময়ের বনজ সম্পদে ভরপুর উখিয়ার বন ভুমিতে এখন বৃক্ষ নেই। বির্স্তীণ বনায়ন এলাকা যেন বিরান ভুমি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এখানকার বিস্তীর্ণ বন ভুমি সরকারী উদ্দ্যেগে সামাজিক বনায়নের আওতায় এনে স্বল্প মেয়াদী বাগান করা হলে সরকার এবং সাধারণ জনগণ উভয়েই লাভবান হওয়া যাবে। একটি পরিবারকে ২একর বনভুমি রক্ষণা-বেক্ষণ ও বাগান রোপনের সুযোগ দেয়া হলে ২০ হাজার পরিবারকে সামাজিক বনায়নের উপকারভোগী সদস্য করা যাবে। এসব বাগানে নিজেদের স্বার্থ জড়িত থাকায় পরবর্তীতে উপকারভোগীরাই নিজ উদ্যোগে বাগান রক্ষা করবে। হলদিয়া পালং বনবিটের বিট কর্মকতা জানান, ২একর বনভুমিতে স্বল্প মেয়াদী বাগান করে সঠিকভাবে রক্ষণা বেক্ষণ করা হলে ১০ বছর পর কমপক্ষে ৩০ লাখ টাকার গাছ বিক্রি করা সম্ভব হবে। তিনি আরো জানান, খুব শিঘ্রই সরকার ও বন বিভাগ উখিয়া-টেকনাফের বির্স্তীণ বনভুমি সামাজিক বনায়নের আওতাধীন আনার প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।