২১ মে, ২০২৬ | ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৩ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান   ●  চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন   ●  বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিএনপি’র পদযাত্রা মরণযাত্রা হয়ে উঠবে-সাবেক সাংসদ বদি

আদালত খোলা নিয়ে আজ বসছে ফোলকোর্ট সভা

সাধারণ ছুটির মধ্যেই অতি জরুরি বিষয় শুনানির জন্য স্বল্প পরিসরে আদালত খোলা রাখা হবে কি-না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় বসছে সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভা।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের নিয়ে এই সভা বসছে। সভা অনুষ্ঠিত হবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে গত ২৬ মার্চ থেকে সারা দেশে আদালতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। ক্রমেই সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়তে থাকায় সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির আবেদনে সীমিত পরিসরে আদালত খোলার সিদ্ধান্ত নেয় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

গত ২৩ এপ্রিল প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে আপিল বিভাগের বিচারপতিদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তের পর আদালত খোলার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবরের স্বাক্ষরে পৃথকভাবে কয়েকটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

ওই সিদ্ধান্তের পর অধিকাংশ আইনজীবীদের তীব্র সমালোচনার মুখে ঢাকা ও চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতি আদালত বন্ধ রাখার জন্য উল্টো আবেদন দেয়। এছাড়া সাধারণ ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। তারা আদালত কার্যক্রম বন্ধ রাখার দাবি জানান।
এ প্রেক্ষাপটে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। গতকাল শনিবার (২৫ এপ্রিল) নিম্ন আদালত খোলার সিদ্ধান্ত অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়। আর হাইকোর্ট বিভাগের একটি বেঞ্চ খোলার সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয় ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত। এ জন্য শনিবারই সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে পৃথক পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

এ অবস্থায় করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে স্বল্প পরিসরে আদালত খোলা রাখা হবে কি-না, সেবিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়ে ফুলকোর্টসভা ডাকেন প্রধান বিচারপতি।

এরইমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি শুধুমাত্র ভার্চুয়াল (অশরীরী) আদালত ব্যবস্থা চালুর জন্য লিখিতভাবে নতুন আবেদন করেছে প্রধান বিচারপতির কাছে। গতকাল শনিবার ই-মেইলের মাধ্যমে এ আবেদন করা হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।