মূল খবরে যান

শিরোনাম
● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর● ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন● জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন

আ. লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে শতাধিক মানুষ গ্রাম ছাড়া

শেয়ার করুন

norail-md20161204203133
আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের পর নড়াইলের কালিয়ার পারবিষ্ণুপুর গ্রামটিতে গত দুদিন ধরে হামলা অব্যাহত রয়েছে। এতে প্রায় দুই শতাধিক নারী পুরুষ গ্রাম ছেড়েছেন।

রোববার দুই বাড়িতে মফিজ বিশ্বাসের সমর্থকরা হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে মিহির মোল্যা গ্রুপের প্রায় ২ শতাধিক মানুষ এবং অজানা শঙ্কায় ছেলে-মেয়েদের নিয়ে গ্রাম ছেড়ে আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে অশ্রয় নিয়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত মিহির মোল্যার সমর্থকরা জানান, গত ২ ডিসেম্বর বিকেলে মিহির মোল্যার সমর্থকদের বাড়িঘরে প্রতিপক্ষরা হামলা চালায়। যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। প্রতিপক্ষ মফিজ বিশ্বাসের সমর্থকদের হামলা হুমকির মুখে মিহিরের সমর্থকরা গত দুদিন ধরে গ্রাম ছাড়া রয়েছেন।

রোববার মিহিরের সমর্থক দুখু মিয়া ও ছাত্তার মোল্যার বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে মফিজ গ্রুপের সমর্থকরা।

পুরুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম মনি অব্যাহত হামলার কথা জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মফিজ বিশ্বাসের সমর্থকরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছে। আর রাতে মিহির মোল্যার সমর্থকদের বাড়ি চিহিৃত করে ভাঙচুর ও লুটপাট চালাচ্ছে। এদিকে অপর গ্রুপের নেতা মফিজ বিশ্বাসের ও কাজল মোল্যার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি।

কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গণি মিয়া বলেন, পুলিশি গ্রেফতার এড়াতে বা প্রতিপক্ষের হামলার ভয়ে কিছু লোক গ্রাম ছেড়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা আছে।

উল্লেখ্য, উপজেলার ওই গ্রামের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা মিহির মোল্যা ও মফিজ বিশ্বাস গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ চলাকালে মিহির মোল্যা গ্রুপের ৬ জন গুলি বিদ্ধসহ ১১ জন আহত হয়। এছাড়া এ পর্যন্ত ১৮টি বাড়ি-ঘর ও ২ টি দোকান ভাঙচুর করা হয়।

শেয়ার করুন