২১ মে, ২০২৬ | ৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৩ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান   ●  চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন   ●  বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিএনপি’র পদযাত্রা মরণযাত্রা হয়ে উঠবে-সাবেক সাংসদ বদি

সরকারি কর্মীদের সুবিধা বাড়ছে সাড়ে ৫ শতাংশ

আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের আর্থিক সুবিধা ৫ থেকে সাড়ে ৫ শতাংশ বাড়িয়ে বেতন-ভাতা ও অন্যান্য ব্যয় কাঠামো প্রাক্কলনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এই খাতে অর্থ ব্যয়ের হিসাব তৈরি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, এই ব্যয়ের প্রাক্কলন করতে বলা হয়েছে চলতি অর্থবছরের সংশ্লিষ্ট খাতের মূল বাজেট ও গত অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের ভিত্তিতে। এর মধ্যে সরকারি খাতের কর্মীদের বেতন চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দের ওপর সাড়ে ৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে অর্থ ব্যয়ের প্রাক্কলন করতে বলা হয়।

আগামী অর্থবছরে সরকারি চাকরিজীবীরা বাংলা নববষের্র ভাতা পাবেন। এ ক্ষেত্রে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন বাবদ প্রাক্কলিত বরাদ্দের ১/৬০ ভাগ অর্থ নববর্ষ ভাতা বাবদ ধরতে হবে। বাড়িভাড়াভাতা আগের অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দের ওপর সাড়ে ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে ব্যয়ের প্রাক্কলন করতে হবে। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন বাবদ বরাদ্দ অর্থের মধ্যে ১/৬ ভাগ অর্থ উৎসবভাতা বাবদ বরাদ্দ করে হিসেব তৈরি করতে বলা হয়েছে। এর আওতায় সব ভাতা পড়বে। নতুন বছরে চিকিৎসাভাতা বাবদ মাথাপিছু বরাদ্দ বার্ষিক ১৮ হাজার টাকা ধরতে বলা হয়েছে। নন-গেজেটেড বেসামরিক কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সংখ্যায় মাথাপিছু বার্ষিক ২ হাজার ৪০০ টাকা হারে টিফিনভাতা দিতে বলা হয়। তবে যেসব প্রতিষ্ঠানে দুপুরের খাবারের জন্য আলাদা ভাতা দেয়া হয় বা বিনামূল্যে প্রতিষ্ঠান থেকে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়, সেসব প্রতিষ্ঠানের ওইসব কর্মচারী এই ভাতা পাবেন না।

যাতায়াতভাতার ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশন এলাকায় কর্মরত কর্মচারীদের বিদ্যমান মাথাপিছু বার্ষিক ৩ হাজার ৬০০ টাকা করে বরাদ্দ ধরতে হবে। শান্তি বিনোদনভাতা কর্মীদের বেতন-ভাতা বাবদ বরাদ্দের ১/৩৬ ভাগ অর্থ বাড়তি ব্যয় হিসাবে ধরতে হবে।

সংশ্লিষ্ট অর্থবছরগুলোয় যেসব কর্মকর্তা ও কর্মচারী অবসরোত্তর ছুটিতে যাবেন তাদের সংখ্যা ও মূল বেতন এবং অবসর ছুটি ভোগকালীন বেতন ও ছুটি নগদায়ন বাবদ প্রয়োজনীয় অর্থসংবলিত একটি পৃথক বিবরণী প্রাক্কলন করে তা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।

অন্যান্য ভাতার ক্ষেত্রে চলতি অর্থবছরের বরাদ্দ থেকে ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ব্যয়ের প্রাক্কলন করতে হবে। এর বাইরে সরকারি কোনো বিভাগে যদি বিশেষ কোনো ভাতা খাতে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়ে থাকে সেগুলোর তথ্য আলাদাভাবে ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে ব্যয়ের হিসাব পাঠাতে হবে।

তবে আগামী অর্থবছরে বাজেটে নতুন করে কোনো ভাতা অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। এ কারণে প্রচলিত ভাতার বাইরে অন্য কোনো বরাদ্দ রাখার প্রয়োজনীয়তা নেই।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের জন্য খাতওয়ারি বরাদ্দ বাড়ানোর ক্ষেত্রে সাধারণভাবে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রকৃত ব্যয় এবং চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসের প্রকৃত ব্যয়ের ভিত্তিতে ব্যয়ের চিত্র প্রাক্কলন করা যেতে পারে। এর বাইরে কিছু খাতে চলতি অর্থবছরের মূল বরাদ্দকে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ, চলতি অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতির হার ৫ থেকে সাড়ে ৫ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখতে চাচ্ছে সরকার। এই কারণে সরকারি কর্মীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাও ওই হারে বাড়ানো হচ্ছে। পরবর্তীতে বেতনের পরিমাণও মূল্যস্ফীতির হারের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।