মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

রামুতে হত্যা মামলার আসামী গ্রেফতার

শেয়ার করুন


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কক্সবাজাজার রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানা এলাকার ঝন্টু ধর (২৫) নামে এক সেলুন ব্যবসায়ীকে হত্যা মামলার অনত্যম প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। ধৃত শ্রীমন্ত কর্মকারকে গতকাল আদালতে পাঠিয়েছে জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি পুলিশ।
সূত্র জানায়, ২ হাজার ১৫ সালে ২৬ ডিসেম্বর জোয়ারিয়ানালা পূর্ব জুলাল পাড়া এলাকার রতন ধরের ছেলে ঝন্টু ধরকে পিকনিকে নিয়ে যাবে বলে ঘর থেকে বের করে একই এলাকার শ্রীমন্ত কর্মকর্তার। ওই দিন ঘর থেকে বের হয়ে আর ঘরে ফিরেনি ঝন্টু ধর। একদিন পর অনেক খোঁখুজির পর ঝন্টু ধরের গলাই ফাঁস লাগানো মৃতদেহ পাওয়া যায় স্থানীয় একটি পাহাড়ের নিচে। ওই মৃত দেহ উদ্ধারের সময় শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নও পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ঝন্টু ধরের বাবা কক্সবাজারের রামু থানায় ২০১৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার হত্যা মামলা নং ৩৫২/২০১৫। এই মামলা দায়ের হওয়ার পর দীর্ঘদিন পলাতক থাকে আসামীরা । অবশেষে মামালার এক বছরের কাছাকাছি সময়ে প্রধান আসামী শ্রীমন্ত কর্মকারের স্ত্রী ২ নং আসামী বাবলী কর্মকর্তার (বাপ্পী) কে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তার স্বীকারোক্তিতে এই হত্যার পেছনে তার স্বামী শ্রীমন্ত কর্মকর্তারের নাম আসে। এবং গ্রেফতারকৃত আসামী স্পষ্ট ভাবে জবানবন্দী দেন যে তার স্বামীই ঝন্টু ধরকে গলাই ফাঁস দিয়ে ও বেধড়ক পিঠিয়ে হত্যা করে।
নিহত ঝন্টু ধরের বাবা রতন ধর জানান, পূর্ব শক্রতা কেন্দ্র করে আমার ছেলেকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে পরিকল্পিত ভাবে আমার ছেলেকে হত্যা করে শ্রীমন্ত কর্মকার ও তার স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার দিন ২০১৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর আমার ছেলের সন্ধান পাওয়া না যাওয়ায় অনেক খোঁজাখুজি হয়। একদিন পর জোয়ারিয়ানালার উত্তর মিঠাছড়ি পূর্ব কুলাল পাড়াস্থ শশ্মানের উত্তর পাশ্বস্থ রাবার বাগানের পাহাড়ের ঢালুতে আমার ছেলের গলায় রশি দ্বারা ফাঁসা লাগানো রশির এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারপিঠের আঘাতের চিহ্ন মৃতদেহ উদ্ধার করি।
রতন ধর বলেন, আমার ছেলের সৎকার করে ওই বছরের ২৭ ডিসেম্বর রামু থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করি। এই মামলায় দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর গত ৮ অক্টোবর রোববার সন্ধ্যায় কুতুপালংয়ের থাইংখালী এলাকায় জনতার হাতে আটক হয় মামলার প্রধান আসামী শ্রীমন্ত কর্মকার। পরে জনতা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)কে সোপর্দ করেন।
এই মামলা নিয়ে দীর্ঘ দুই বছর লড়াই করা বিজ্ঞ আইনজীবী মহিউদ্দিন খান জানান, দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর অবশেষে এই হত্যার মামলার প্রধান আসামী গ্রেফতার হয়েছে। আশা করি নিহতের পরিবার শতভাগ বিচার পাবে।

শেয়ার করুন