৬ মে, ২০২৬ | ২৩ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৮ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সিরাজুল হক ডালিম’র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

রামুতে অস্ত্রসহ দুই শীর্ষ ডাকাত গ্রেপ্তার

হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী: কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের সিবাতলী গ্রামে গতকাল মঙ্গলবার ভোরে অভিযান চালিয়ে দুই ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তাঁদের কাছ থেকে দুটি দেশিয় তৈরী একনলা বন্দুক (অস্ত্র) উদ্ধার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, গর্জনিয়া ইউনিয়নের মাঝিরকাটা গ্রামের মৃত সোলতান আহমদের ছেলে আবদুর রহিম (৩০) ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামের মৃত মো. ইসলামের ছেলে আবু নয়ন ওরফে সোনা মিয়া (৩৩)।
অভিযানে উপস্থিত গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ীর সহকারি উপপরিদর্শক (এএসআই) জুয়েল বড়–য়া ও মো.কাউসার বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা পাহাড়ী এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল- এমন খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। তাঁরা রামুর পূর্বাঞ্চলের ত্রাস হিসাবে পরিচিত। এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে রামু থানায় ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা রুজু করেছে।
গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (ওসি, তদন্ত) কাজি আরিফ উদ্দিন বলেন, আবদুর রহিম ও সোনা মিয়া উপজেলার শীর্ষ ডাকাত। রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় রহিমের বিরুদ্ধে ডাকাতি, বন এবং অপহরণ মিলিয়ে ১৫টি আর সোনা মিয়ার বিরুদ্ধে ৬টি মামলা রয়েছে। অনেক প্রচেষ্টা চালিয়ে এদেরকে পুলিশের জালে আটকানো সম্ভব হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আবদুর রহিম ও সোনা মিয়া ৪০জনের একটি ডাকাত সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন। আগে এই দলের নেতৃত্ব দিত গর্জনিয়া ইউনিয়নের মাঝিরকাটা গ্রামের হাজী ইসলামের ছেলে শীর্ষ সন্ত্রাসী মোহাম্মদ শাহীন। শাহীন বর্তমানে কক্সবাজার জেলা কারাগারে হাজতবাস করছে। স্থানীয়দের ধারণা গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাধ করা হলে অপরাধ জগৎ এর অনেক তথ্যই বেরিয়ে আসবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।