২২ মে, ২০২৬ | ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৪ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান   ●  চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন   ●  বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিএনপি’র পদযাত্রা মরণযাত্রা হয়ে উঠবে-সাবেক সাংসদ বদি

ভারতের সঙ্গে দেশের স্বার্থ বিরোধী কোনো চুক্তি করা হয়নি : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার সাম্প্রতিক দিল্লি সফরে ভারতের সঙ্গে দেশের স্বার্থ বিরোধী কোনো চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়নি।

প্রধানমন্ত্রী আজ সংসদে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য ফজিলাতুন নেসা বাপ্পির এক প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থ বিরোধী চুক্তি হয়েছে বলে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের বক্তব্য সম্পূর্ণ অসত্য, কল্পিত ও অজ্ঞতাবশত এবং দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা মাত্র।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর এই প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

সংসদ নেতা বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে মহান মুক্তিযুদ্ধে বহু আত্মত্যাগের বিনিময়ে এদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

কাজেই আওয়ামী লীগ কখনই দেশের স্বার্থবিরোধী কোন চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে পারে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেহেতু তিস্তা চুক্তিটি তাঁর দল ও সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তাই সরকার ভারতের সঙ্গে তিস্তার পানি চুক্তি সম্পাদনে আন্তরিকভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও আশ্বস্ত করেছেন বর্তমান সরকারের মেয়াদেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর ভারত সফরকালে দুই দেশের মধ্যে ৩৫টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। যেগুলো দেশের জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলেই তাঁর বিশ্বাস।

ফজিলাতুন নেসা বাপ্পির অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চীন, রাশিয়া, কুয়েত, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকারের সময়ে চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর হয়। জনগণকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে বিএনপি সরকার চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করে। তখন বিষয়টি সংসদেও আলোচনায় আনেনি বিএনপি।

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের অপর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি যা কিছুই করেছেন, তা দেশ ও জণগণের কল্যাণ এবং দেশের উন্নয়নের কথা ভেবেই করেছেন।

এ সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’ এর উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার নির্দেশিত পথেই তাঁর সরকার ভারতসহ সকল দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।