১৪ মে, ২০২৬ | ৩১ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ২৬ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  কক্সবাজারে উত্তম কৃষি চর্চায় টেকসই,নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত   ●  গবেষণার গুরুত্ব ও গবেষণা প্ল্যাটফর্ম নিয়ে CCDRC’র সেমিনার অনুষ্ঠিত   ●  আদালতের স্থিতাবস্থা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা, পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা   ●  উখিয়ার প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ফরিদ আহম্মদ চৌধুরীর ৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ।   ●  কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সিরাজুল হক ডালিম’র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান

প্রধানমন্ত্রী প্রায়ই ভিত্তিহীন কথা বলেন : ফখরুল


‘ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় ও মুচলেকা দিয়ে ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছিল’ মঙ্গলবার মাগুরায় দেওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্যর সমালোচনা করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী প্রায়ই এ ধরনের ভিত্তিহীন ও অসত্য কথা বলে থাকেন। তাহলে তারা যে সরকারে বসে আছেন সেটাও কি ‘র’ আর যুক্তরাষ্ট্রর সহযোগিতায় ক্ষমতায় বসেছেন? রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে আজ বুধবার দুপুরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ সব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। জিয়া পরিষদের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ শ্রদ্ধা জানানো হয়।

ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রায়ই ভিত্তিহীন ও অসত্য কথা বলে থাকেন। এটা তার স্বভাবে পরিণত হয়েছে। ভিত্তিহীন, অসত্য, মিথ্যা ও বানোয়াট কথা বলে আসলে তিনি কী বুঝাতে চাচ্ছেন? তাহলে কী বাংলাদেশের নির্বাচন ‘র’ আর যুক্তরাষ্ট্রর সহযোগিতায় হয়? ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে যেখানে কোনো ভোটার ভোটকেন্দ্রে যায়নি। ১৫৪ জন সংসদ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তারা যে সরকারে বসে আছেন সেটাও কি তাহলে ‘র’ আর যুক্তরাষ্ট্রর সহযোগিতা নিয়ে বসেছেন? কাজেই আমরা প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের কথার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই এ ধরনের কথা বলার আগে ভাবা উচিত ছিল। কারণ এতে দেশের ইমেজ নষ্ট হয়, দেশের ক্ষতি হয় এবং রাজনীতির ক্ষতির হয়।

বগুড়ার জনসভার পর মাগুরায় প্রধানমন্ত্রী নৌকার পক্ষে ভোট চেয়েছেন। ফলে প্রমাণিত হয়েছে দেশে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই দাবি করে মির্জা ফখরুল আরো বলেন, একটি দল ও তার সভাপতি রাষ্ট্রের অর্থায়নে হেলিকপ্টার ব্যবহার করে ভোট চাচ্ছেন, ক্যাম্পেইন করছেন। অন্যদিকে সকল বিরোধী দলকে ঘরে আটকে রেখেছে। বিএনপিকে কোথাও একটি জনসভা করার অনুমতি দিচ্ছে না। মূলত তিনি (প্রধানমন্ত্রী) একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করতে এগিয়ে চলেছেন।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের তিস্তা চুক্তি না হলে অন্য যেকোনো চুক্তি অর্থহীন হবে দাবি করে সাবেক এ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিসর্জন দিয়ে করা কোনো চুক্তি দেশের মানুষ মেনে নেবে না। সরকার দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে অন্যর স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করছেন। আমরা দাবি আদায়ে প্রচেষ্টা চালাতে পারছি না এ জন্য যে, বাংলাদেশে যারা ক্ষমতায় আছেন, রাষ্ট্র চালাচ্ছেন তারা আগেই দুর্বল ও নতজানু হয়ে আছেন। কারণ তারা বাংলাদেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে অন্যের স্বার্থকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন।

সূত্র:- কালেকন্ঠ

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।