১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

প্রধানমন্ত্রী প্রায়ই ভিত্তিহীন কথা বলেন : ফখরুল


‘ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় ও মুচলেকা দিয়ে ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছিল’ মঙ্গলবার মাগুরায় দেওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্যর সমালোচনা করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী প্রায়ই এ ধরনের ভিত্তিহীন ও অসত্য কথা বলে থাকেন। তাহলে তারা যে সরকারে বসে আছেন সেটাও কি ‘র’ আর যুক্তরাষ্ট্রর সহযোগিতায় ক্ষমতায় বসেছেন? রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে আজ বুধবার দুপুরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ সব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। জিয়া পরিষদের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ শ্রদ্ধা জানানো হয়।

ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রায়ই ভিত্তিহীন ও অসত্য কথা বলে থাকেন। এটা তার স্বভাবে পরিণত হয়েছে। ভিত্তিহীন, অসত্য, মিথ্যা ও বানোয়াট কথা বলে আসলে তিনি কী বুঝাতে চাচ্ছেন? তাহলে কী বাংলাদেশের নির্বাচন ‘র’ আর যুক্তরাষ্ট্রর সহযোগিতায় হয়? ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে যেখানে কোনো ভোটার ভোটকেন্দ্রে যায়নি। ১৫৪ জন সংসদ সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তারা যে সরকারে বসে আছেন সেটাও কি তাহলে ‘র’ আর যুক্তরাষ্ট্রর সহযোগিতা নিয়ে বসেছেন? কাজেই আমরা প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের কথার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই এ ধরনের কথা বলার আগে ভাবা উচিত ছিল। কারণ এতে দেশের ইমেজ নষ্ট হয়, দেশের ক্ষতি হয় এবং রাজনীতির ক্ষতির হয়।

বগুড়ার জনসভার পর মাগুরায় প্রধানমন্ত্রী নৌকার পক্ষে ভোট চেয়েছেন। ফলে প্রমাণিত হয়েছে দেশে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই দাবি করে মির্জা ফখরুল আরো বলেন, একটি দল ও তার সভাপতি রাষ্ট্রের অর্থায়নে হেলিকপ্টার ব্যবহার করে ভোট চাচ্ছেন, ক্যাম্পেইন করছেন। অন্যদিকে সকল বিরোধী দলকে ঘরে আটকে রেখেছে। বিএনপিকে কোথাও একটি জনসভা করার অনুমতি দিচ্ছে না। মূলত তিনি (প্রধানমন্ত্রী) একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করতে এগিয়ে চলেছেন।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের তিস্তা চুক্তি না হলে অন্য যেকোনো চুক্তি অর্থহীন হবে দাবি করে সাবেক এ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিসর্জন দিয়ে করা কোনো চুক্তি দেশের মানুষ মেনে নেবে না। সরকার দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে অন্যর স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করছেন। আমরা দাবি আদায়ে প্রচেষ্টা চালাতে পারছি না এ জন্য যে, বাংলাদেশে যারা ক্ষমতায় আছেন, রাষ্ট্র চালাচ্ছেন তারা আগেই দুর্বল ও নতজানু হয়ে আছেন। কারণ তারা বাংলাদেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে অন্যের স্বার্থকে রক্ষা করার চেষ্টা করছেন।

সূত্র:- কালেকন্ঠ

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।