১৫ মে, ২০২৬ | ১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ২৭ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  কক্সবাজারে উত্তম কৃষি চর্চায় টেকসই,নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত   ●  গবেষণার গুরুত্ব ও গবেষণা প্ল্যাটফর্ম নিয়ে CCDRC’র সেমিনার অনুষ্ঠিত   ●  আদালতের স্থিতাবস্থা অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টা, পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা   ●  উখিয়ার প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ফরিদ আহম্মদ চৌধুরীর ৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ।   ●  কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সিরাজুল হক ডালিম’র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান

নাসিরের সেঞ্চুরিতে নেপালকে ২৫৮ রানের টার্গেট

 


ম্যাচের তখন ৪৪ ওভার। নাসিরের রান তখনও ৭৭। ডাগ আউটে বসে কোচ বাবুলের সতর্কবার্তা ‘নাসির ধরে খেল, শেষের দুই ওভার মারবে।’

কোচের কথা যেন রাখলেন নাসির। ৪৮ ওভার পর্যন্ত ধরেই খেললেন। ৪৯ তম ওভারে দুই বল খেলার সুযোগ পেয়ে একটা চার আর দৌঁড়ে নিলেন একরান। শেষের ওভারে সেঞ্চুরিতে পৌঁছাতে তার দরকার ছিল তিন রান। ওই ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা মেরে সেঞ্চুরিতে পৌঁছে যান তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম-২য়ে নাসিরের ১১৫ বলে ১০৯ রানের ওপর ভর করেই নেপালকে ২৫৮ রানের লক্ষ্য দেয় বাংলাদেশ। ১৫ চার আর ২ ছক্কায় এই ইনিংস সাজান নাসির। এছাড়া দলীয় অধিনায়ক মুমিনুল হক করেন ৬১ রান।

এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৩ রানেই চার উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দলীয় এক রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ওপেনার আজমির আহমেদ ফেরেন শূন্য রানে। দলীয় ৮ রানে ও ব্যক্তিগত ৭ রানে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন প্রথম ম্যাচের জয়ের নায়ক সাইফ হাসান।

এরপর মোহাম্মদ মিথুন শূন্য ও নাজমুল হোসাইন শান্ত ৪ রানে আউট হলে বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। তিন ওভারের এক বিধ্বংসী স্পেলে বাংলাদেশকে টপ অর্ডার শূন্য করে দেন দেশের হয়ে প্রথম কোনো ওয়ানডে ম্যাচে সুযোগ পাওয়া অবিনাশ করন। অন্য উইকেটটি পান মাহবুব আলম।

প্রথম ওভারের শেষ বলে অফ সাইডে শট খেলতে গিয়ে আসিফ শেখের হাতে ধরা পড়েন আজমির আহমেদ। প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও ফ্লপ থাকলেন ঘরোয়া ক্রিকেটের এই বড় পারফরমার। তৃতীয় ওভারে শরদ ভেসকরকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন প্রথম ম্যাচের অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরিয়ান সাইফ হাসান। নিজের তৃতীয় ও দলীয় পঞ্চম ওভারে অবিনাশের শিকার এবার মোহাম্মদ মিথুন। দশম ওভারের শেষ বলে মাহবুব আলমের শিকার হন নাজমুল হোসাইন শান্ত।

৬১ রানে মুমিনুল ফেরলে আবারও বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। তবে শেষের দিকে আফিফ, সাইফ আর আবুল হাসান রাজুকে নিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেন নাসির।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।