২১ জুন, ২০২৬ | ৭ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ৫ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান

টেকনাফে রোহিঙ্গা বস্তির জীবন : খাদ্য পানীয় ও চিকিৎসা সংকটের পাশাপাশি রাত কাটে পাহারা বসিয়ে

Teknaf Pic-(A)-05-04-15
টেকনাফের লেদা অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা বস্তির ২ হাজার পরিবারের সদস্যরা চৈত্রের রোদ ফাটা গরমে খাবার, পানীয় জল ও চিকিৎসা সংকটের পাশাপাশি ডাকাত চক্রের আতংকে রাত জেগে পাহারা বসিয়েছে।
সরেজমিন রোহিঙ্গা বস্তি পরিদর্শনে দেখা যায়, উপজেলার হ্নীলাস্থ লেদা রোহিঙ্গা বস্তির ৬টি ব্লকের ২ হাজার ৯২ পরিবারের ১৫ হাজারের অধিক রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ ও শিশু বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে। সরকারী-বেসরকারীভাবে রেশন প্রথা চালু না থাকায় এই বস্তির রোহিঙ্গারা অর্ধাহার-অনাহারে থাকার পাশাপাশি নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আদৌ পর্যন্ত কোন সংস্থা এই সেবায় এগিয়ে আসেনি। তাই আমাশয়,ডায়েরিয়া, ম্যালেরিয়া, জন্ডিসসহ নানা রোগে আক্রান্তরা চিকিৎসা বঞ্চিত রয়েছে। এখন চৈত্রের খরতাপে পানির চাহিদা বলে শেষ করা যাবেনা। পানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এখন এসব রোহিঙ্গা ব্যবহার্য ও পানীয় পানির জন্য ছুটছে নদী, খাল, পুকুর, পাহাড়ী ছড়া ও পাশ্ববর্তী গ্রামে। পুকুরে পানি আনতে গিয়েই পানিতে ডুবে এক শিশুর নির্মম মৃত্যু হয়। এসবের পরও রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারছেনা চোর-ডাকাতের ভয়ে। বেশ ক‘বার দূর্বৃত্ত দল হানা দিয়ে বস্তিতে হানা দিয়ে লুটপাট চালানোর পাশাপাশি গুলাগুলি করে ভীতি সৃষ্টি করার ঘটনা ঘটিয়েছে। তাই রোহিঙ্গারা জান-মাল রক্ষার্থে অনেকে টাকা দিয়ে ভাড়াটে লোক দিয়ে পাহারা দিলেও গরীবদের রাত জেগে পাহারায় থাকতে হচ্ছে। এই ব্যাপারে আলমাস খাতুন বলে ভাই আরা বেশী কষ্টত আছি। কিয়া সাহায্য নগরের দ্দে। ভাত নাই, পানি ন পাই, ডাক্তার নাই, রাতিয়া চোর-ডাকাত আইয়্যে। বেশী ডরত আছি। ইলিয়াছ বলেন ভাই আরা রোয়াইনগ্যা। আরাত কন কথা হইত ন পারি। উয়রের আল্লাহ জানে। তবে রোহিঙ্গা বস্তির এই অবস্থা অব্যাহত থাকলে মানবিক সংকট আরো বাড়তে পারে বলে সচেতন মহল মনে করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।