মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

কক্সবাজার জেলা পরিষদে ১৫টি কেন্দ্রের সবকটিই ঝুঁকিপূর্ণ!

শেয়ার করুন

সারাদেশের মতো বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেলা পরিষদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে কক্সবাজার জেলায় মোট ভোট কেন্দ্র রয়েছে ১৫টি। আর এসব কেন্দ্রের সবকটিই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনায় নিয়েছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও নির্বাচনে অংশ গ্রহণকারী প্রার্থীরা।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো হচ্ছে, কক্সবাজার সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, মহেশখালী বার্মিজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রামুর জোয়ারিয়ানালা এইচএম সাঁচি উচ্চবিদ্যালয়, গর্জনিয়া ফইজুল উলুম ফাজিল (ডিগ্রি) মাদরাসা, দক্ষিণ মিঠাছড়ি উচ্চবিদ্যালয়, উখিয়া উপজেলা পরিষদ হল রুম, কুতুবদিয়া আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়, মহেশখালী কালারমারছড়া ইনুছখালী উচ্চবিদ্যালয়, চকরিয়ার উত্তর বরইতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইলিশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য চকরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডুলাহাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কক্সবাজার সদরের ঈদগাহ আদর্শ উচ্চবিদ্যালয় ও টেকনাফ উপজেলা পরিষদ হল রুম।
এ বিষয়ে কক্সবাজার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রকে আমরা ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় প্রস্তুতি নিয়েছি। সুষ্ঠু ভোট গ্রহণে আমরা পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়েছি। কেন্দ্রে কারও কোনও প্রভাব বিস্তার সহ্য করা হবে না। যেকোনও কিছুর বিনিময়ে আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেবো।
তিনি আরও বলেন, ভোটের দিন প্রতি কেন্দ্রে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ১০ পুলিশ ও ২ জন স্বশস্ত্রসহ ১৭ আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। ৪/৫ কেন্দ্র মিলে স্ট্রাইকিংফোর্স মাঠে থাকবে। এছাড়া পুরো জেলায় দুজন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করবে।
কক্সবাজার জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র মতে, নির্বাচনে ১৫ ওয়ার্ডের মধ্যে ১২, ১৩ ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় ওয়ার্ড গুলোতে সদস্য পদে নির্বাচন হচ্ছে না। সংরক্ষিত নারী আসন ৫-এ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় সেখানেও সংরক্ষিত পদে ভোট যুদ্ধ নেই।
চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সদ্য বিদায়ী জেলা পরিষদ প্রশাসক মোস্তাক আহমদ চৌধুরী (আনারস) ও জেলা পরিষদের প্রথম চেয়ারম্যান এবং জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় নেতা এ এইচ সালাহ উদ্দীন মাহমুদ (মোটরসাইকেল) নির্বাচনে লড়ছেন। নির্বাচনে জামায়াত-বিএনপির সমর্থনে কোনও প্রার্থী না থাকায় সদস্য পদে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।
উল্লেখ্য, কক্সবাজারের এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দুই প্রার্থীসহ মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছে ৮১ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৭৬৮ এবং নারী ভোটার ২৩৫ জন। মোট ভোটার সংখ্যা ১০০৩ জন। ভোট কক্ষের সংখ্যা ৩০টি।

শেয়ার করুন