৫ মে, ২০২৬ | ২২ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৭ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  কক্সবাজার জেলা বিএনপির সদস্য সিরাজুল হক ডালিম’র ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

“এসো মিলি সবে, নবান্নের উৎসবে”

আতিকুর রহমান মানিকঃ কক্সবাজারে উদযাপিত হয়েছে নবান্ন উৎসব। ২১ নভেম্বর সন্ধ্যায় পাবলিক লাইব্রেরী মাঠে জেলা প্রশাসন এ উৎসবের আয়োজন করে। “এসো মিলি সবে, নবান্নের উৎসবে” এ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ আলী হোসেন। এ উপলক্ষে  পাবলিক লাইব্রেরীর শহীদ সুভাষ হলে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল এম পি।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, নবান্ন উৎসবের সাথে মিশে আছে বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐহিত্য ও সংস্কৃতি। প্রাচীনকাল থেকেই বাঙালিয়ানার পরিচয় পাওয়া যায় এই নবান্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে। নতুন ধান কাটা আর সেই সাথে কৃষকের ঘর ভরে ওঠে গোলাভরা ধানে। হাজার বছরের পুরনো এই উৎসবটি যুগ যুগ ধরে একইভাবে পালন করে আসছে সবাই। সবচেয়ে ঐহিত্যবাহী এবং সবচেয়ে প্রাচীনতম মাটির সাথে চিরবন্ধনযুক্ত এই নবান্ন উৎসব। এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো: আনায়ারুল নাসের, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: মাহিদুর রহমান, জেলা প্রশাসনের সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী  ম্যাজিষ্ট্রেটবৃন্দ, কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক পিন্টু আরেং, কালচারাল অফিসার সৈয়দ মুহম্মদ আয়াজ মাবুদ, নাট্যজন তাপস রক্ষিত,  অধ্যাপক বিপ্লব পাল ও আকতার কামালসহ সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ  উপস্থিত ছিলেন। পরে উৎসবে লোকনৃত্য, সংগীত ও আবৃত্তি পরিবেশন করা হয়।  নবান্ন উৎসব উপলক্ষে আবহমান বাংলার বিভিন্ন রকম পিঠা-পুলির আয়োজন করা হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।