২২ মে, ২০২৬ | ৮ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ | ৪ জিলহজ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি   ●  বিবেক’কে জাগ্রত রেখে দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করতে হবে- অতিরিক্ত আইজি শাহাবুদ্দিন খান   ●  চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন   ●  বেশি বাড়াবাড়ি করলে বিএনপি’র পদযাত্রা মরণযাত্রা হয়ে উঠবে-সাবেক সাংসদ বদি

একনেকে ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন

দেশের মানুষের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করতে চতুর্থ স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর কর্মসূচি প্রকল্পসহ ৯টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৩ হাজার ৩৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল ১ থেকে ৪ হাজার ১৮৬ কোটি ৭৭ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ১৮ হাজার ৮৪৭ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেকের বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কে এম মোজাম্মেল হক, ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য জুয়েনা আজিজ এবং আইএমইডির সচিব মফিজুল ইসলাম।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে চতুর্থ স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর কর্মসূচি প্রকল্প অন্যতম। এটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৮৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

পরিকল্পনামন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর কর্মসূচির মূল কার্যক্রম হচ্ছে- প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা পরিবার পরিকল্পনা সেবা, প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা, পুষ্টি সেবা ও সচেতনমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন। এছাড়া প্রশিক্ষণ, ব্যবস্থাপনা ও কাঠামোগত উন্নয়ন, কর্মশালা, সেমিনার, তথ্য ব্যবস্থাপনা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, মনিটরিং ও ইভালুয়েশন, গবেষণা এবং অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে।

অনুমোদিত অন্য প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর উন্নয়ন; এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা। সরকারি কলেজগুলোতে বিজ্ঞান শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ প্রকল্প; এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮০৫ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্প, এর ব্যয় ধরা হয়েছে ২০০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।

গৌরনদী টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট স্থাপন প্রকল্প; এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৯৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। বিসিএসআইআরের আইএমএমএমে একটি খনিজ প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্প; এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৩ কোটি ৩১ লাখ টাকা।

এছাড়াও রয়েরেছ যশোর-বেনাপোল জাতীয় মহসড়ক (এন-৭০৬) যথাযথ মানে ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প; এর ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। বগাছড়ি-নানিয়ারচর-লংগদু সড়কে দশম কিলোমিটার চেংগী নদীর উপর ৫০০ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মাণ প্রকল্প; এর ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫৭ কোটি ২১ লাখ টাকা। ঢাকা শহরে ডাক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ প্রকল্প; এর ব্যয় ধরা হয়েছে ২৪৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।