৮ জুলাই, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২২ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

মরিচ্যা বৌদ্ধ শ্মশানের রাস্তা দখলে, মরদেহ নিয়ে দুর্ভোগে বড়ুয়ারা

কনক বড়ুয়া, উখিয়া: উখিয়ার হলদিয়া পালংয়ের মরিচ্যা বৌদ্ধ শ্মশানে যাতায়াতের গ্রাম্য রাস্তা জবর দখল করে বাউন্ডারি ওয়াল দিয়ে রাস্তা নির্মাণ কে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। মরদেহ নিয়ে শ্মশানে নিয়ে গিয়ে দাহকার্য সম্পন্ন করাও যাচ্ছে না।

মরিচ্যার বৌদ্ধ জনসাধারনেরা জানান, উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের পশ্চিম মরিচ্যা বড়ুয়া পাড়া, দক্ষিণ মরিচ্যা বড়ুয়া সহ খুনিয়া পালং ইউনিয়নের হিরারদ্বীপ গ্রামের প্রায় ৬০০ বড়ুয়া পরিবারের বৌদ্ধ শ্মশান এটি। এছাড়াও উক্ত শ্মশানের একমাত্র যাতায়াত রাস্তা এটি।

আরো জানান, এই প্রাচীন বৌদ্ধ শ্মশানের যাতায়ার রাস্তায় সাইট দেওয়াল নির্মান করে দাহকার্য সম্পন্ন করতে এক প্রকার বাধা সৃষ্টি করেছে। শত বছরের পুরাতন যাতায়তের রাস্তা জবর দখল করে বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ করায় আমরা জনস্বার্থে ইউএনও বরাবর অভিযোগ করতেছি। জেলা প্রশাসক থেকে শুরু করে বঙ্গীয় বৌদ্ধ সমাজের নেতৃবৃন্দদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় শ্মশান রাস্তাটি দখলমুক্ত করার অনুরোধ করতেছি।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে হলদিয়ার সাবেক সফল চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় করা হয়েছিল মরিচ্যার কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ মহাশ্মশানের যাতায়াত রাস্তা। ২০১৭ সালে কিছু স্থানীয়দের নজর পড়ে এই শতবর্ষীয় বৌদ্ধ শ্মশানের যাতায়াত রাস্তার উপর। ফলে সাইট দেওয়াল দিয়ে দখল করার চেষ্টা করেন এই রাস্তা।

উখিয়ার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিনের নির্দেশে সহকারি কমিশনার (ভূমি) নুর উদ্দিন মোহাম্মদ শীবলি নোমান, সাব ইনসপেক্টর আনিসুল ইসলাম ও সহকারী ইনসপেক্টর ওয়ারেছ পরিস্থিতি সমঝোতায় এনে নির্মাণ চলাকালীন বৌদ্ধ শ্মশান রাস্তা অন্যের দখল থেকে দখলমুক্ত করেছিলেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।