মূল খবরে যান

শিরোনাম
● ঈদগাঁতে মালিকের সাড়ে ৭ কোটি টাকা হাতিয়ে নিল ম্যানেজার● সাংবাদিক এ এইচ সেলিম উল্লাহর মা আর নেই● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন

মরিচ্যা বৌদ্ধ শ্মশানের রাস্তা দখলে, মরদেহ নিয়ে দুর্ভোগে বড়ুয়ারা

শেয়ার করুন

কনক বড়ুয়া, উখিয়া: উখিয়ার হলদিয়া পালংয়ের মরিচ্যা বৌদ্ধ শ্মশানে যাতায়াতের গ্রাম্য রাস্তা জবর দখল করে বাউন্ডারি ওয়াল দিয়ে রাস্তা নির্মাণ কে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। মরদেহ নিয়ে শ্মশানে নিয়ে গিয়ে দাহকার্য সম্পন্ন করাও যাচ্ছে না।

মরিচ্যার বৌদ্ধ জনসাধারনেরা জানান, উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের পশ্চিম মরিচ্যা বড়ুয়া পাড়া, দক্ষিণ মরিচ্যা বড়ুয়া সহ খুনিয়া পালং ইউনিয়নের হিরারদ্বীপ গ্রামের প্রায় ৬০০ বড়ুয়া পরিবারের বৌদ্ধ শ্মশান এটি। এছাড়াও উক্ত শ্মশানের একমাত্র যাতায়াত রাস্তা এটি।

আরো জানান, এই প্রাচীন বৌদ্ধ শ্মশানের যাতায়ার রাস্তায় সাইট দেওয়াল নির্মান করে দাহকার্য সম্পন্ন করতে এক প্রকার বাধা সৃষ্টি করেছে। শত বছরের পুরাতন যাতায়তের রাস্তা জবর দখল করে বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ করায় আমরা জনস্বার্থে ইউএনও বরাবর অভিযোগ করতেছি। জেলা প্রশাসক থেকে শুরু করে বঙ্গীয় বৌদ্ধ সমাজের নেতৃবৃন্দদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় শ্মশান রাস্তাটি দখলমুক্ত করার অনুরোধ করতেছি।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে হলদিয়ার সাবেক সফল চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় করা হয়েছিল মরিচ্যার কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ মহাশ্মশানের যাতায়াত রাস্তা। ২০১৭ সালে কিছু স্থানীয়দের নজর পড়ে এই শতবর্ষীয় বৌদ্ধ শ্মশানের যাতায়াত রাস্তার উপর। ফলে সাইট দেওয়াল দিয়ে দখল করার চেষ্টা করেন এই রাস্তা।

উখিয়ার সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিনের নির্দেশে সহকারি কমিশনার (ভূমি) নুর উদ্দিন মোহাম্মদ শীবলি নোমান, সাব ইনসপেক্টর আনিসুল ইসলাম ও সহকারী ইনসপেক্টর ওয়ারেছ পরিস্থিতি সমঝোতায় এনে নির্মাণ চলাকালীন বৌদ্ধ শ্মশান রাস্তা অন্যের দখল থেকে দখলমুক্ত করেছিলেন।

শেয়ার করুন