মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

উখিয়ার ৪৫ হাজার একর বনভুমি বন বিভাগ ও সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে

শেয়ার করুন

উখিয়া উপজেলার ৪৫ হাজার একর বনভুমি বন বিভাগ ও সরকারের নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে গেছে। অধিক জন সংখ্যার চাপ, যত্রতত্র অবৈধ করাত কল, সন্ত্রাসী কাঠ চোরদের দৌরাত্ম, বন কর্মকর্তাদের সদিচ্ছা ও সাধারণ জনগণের দেশ প্রেমের মারাত্মক অভাব এর জন্য দায়ী। সরকারী উদ্দ্যোগে এসব বনভূমি সামাজিক বনায়নের আওতায় এনে স্বল্প মেয়াদী বাগান রোপন করা হলে আগামী ১০ বছর পর সরকার যেমন লাভবান হবেন, তেমনি পাল্টে যাবে উখিয়ার হাজারো মানুষের ভাগ্য। এমন অভিমত সচেতন মহলের।
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, উখিয়া উপজেলার ২টি রেঞ্জ ও ১১টি বন বিটের অধীনে প্রায় ৪০ হাজার একর সরকারী বন ভুমি রয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রত্যেক সরকারের আমলেই উখিয়ার সরকারী বনভুমিতে প্রতিবছর লাখ লাখ টাকা ব্যায়ে বাগান রোপন করা হয়। উক্ত বাগানের চারা গাছ গুলো বড় হওয়ার সুযোগ পায়না। সন্ত্রাসী কাঠচোর ও বন দস্যুরা প্রতিনিয়ত দিন দুপুরে ও রাতের আধারে পৈত্রিক সম্পত্তির মত কেটে নিয়ে যায়। বন কর্মকর্তারা শত চেষ্টা করেও কাঠ চোর সন্ত্রাসী ও বন দস্যুদের দমন করতে পারেনা। যার কারণে এক সময়ের বনজ সম্পদে ভরপুর উখিয়ার বন ভুমিতে এখন বৃক্ষ নেই। বির্স্তীণ বনায়ন এলাকা যেন বিরান ভুমি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এখানকার বিস্তীর্ণ বন ভুমি সরকারী উদ্দ্যেগে সামাজিক বনায়নের আওতায় এনে স্বল্প মেয়াদী বাগান করা হলে সরকার এবং সাধারণ জনগণ উভয়েই লাভবান হওয়া যাবে। একটি পরিবারকে ২একর বনভুমি রক্ষণা-বেক্ষণ ও বাগান রোপনের সুযোগ দেয়া হলে ২০ হাজার পরিবারকে সামাজিক বনায়নের উপকারভোগী সদস্য করা যাবে। এসব বাগানে নিজেদের স্বার্থ জড়িত থাকায় পরবর্তীতে উপকারভোগীরাই নিজ উদ্যোগে বাগান রক্ষা করবে। হলদিয়া পালং বনবিটের বিট কর্মকতা জানান, ২একর বনভুমিতে স্বল্প মেয়াদী বাগান করে সঠিকভাবে রক্ষণা বেক্ষণ করা হলে ১০ বছর পর কমপক্ষে ৩০ লাখ টাকার গাছ বিক্রি করা সম্ভব হবে। তিনি আরো জানান, খুব শিঘ্রই সরকার ও বন বিভাগ উখিয়া-টেকনাফের বির্স্তীণ বনভুমি সামাজিক বনায়নের আওতাধীন আনার প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন।

শেয়ার করুন