২ আগস্ট, ২০২৬ | ১৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৮ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী

অবশেষে উচ্ছেদ হলো আদালত পাড়ার অর্ধশতাধিক ভ্রাম্যমান দোকান

tusher-news-pic-300x225ছিনতাইকারী, চোর, প্রতারক চক্র, বাটপার ও মাদকসেবীদের দৌরাত্ম্য কমিয়ে আদালত পাড়ার স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে অবশেষে উচ্ছেদ হলো অর্ধশতাধিক ভ্রাম্যমান দোকান। গতকাল বুধবার দুপুরে সাড়ে ৩ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে ওইসব অবৈধ দোকানপাট গুড়িয়ে দেয় ভ্রাম্যমান আদালত। দুপুর সাড়ে ১২ টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত চলা ওই অভিযানে চায়ের দোকান, পান সিগারেটের দোকান, স্যান্ডেলের দোকানসহ মাছ বাজার উচ্ছেদ করা হয়।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ভ্রাম্যমান দোকানের কারণে আদালতের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে দাবী করে ওইসব দোকান উচ্ছেদ করতে জেলা প্রশাসনকে লিখিতভাবে জানানো হয় আদালতের পক্ষ থেকে। আদালতের লিখিত অনুলিপি পাওয়ার আদালত সহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিরাপত্তা বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে ওইসব দোকান পাট উচ্ছেদ করা হয়।
এ বিষয়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকারী কক্সবাজারের নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট পিএম ইমরুল কায়েস জানান, আদালত পাড়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অর্ধশতাধিক দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। পাশাপাশি দোকানীদের সতর্ক করা হয়েছে। যদি পরবর্তীতে কেউ আদালত পাড়ায় ভ্রাম্যমান দোকান বসায় তবে তাকে জেল জরিমানা করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে ভ্রাম্যমান আদালতের ওই অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে কক্সবাজার আইনজীবি সমিতির সভাপতি জিপি মোহাম্মদ ইসহাক জানান, ভ্রাম্যমান দোকান উচ্ছেদের মধ্য দিয়ে আদালতে প্রাঙ্গণে অপরাধীদের আনাগোনা কমেছে। তবে প্রশাসনকে বারবার এমন অভিযান পরিচালনা করতে হবে যাতে আদালতের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।