১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মানাধীন বাইশারী আলিক্ষ্যং সড়কে ইট বিছানোর কাজে ব্যাপক অনিয়ম

oeMUM b__e_cn1
পার্বত্য জেলা বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের বাইশারী – আলিক্ষ্যং সড়কে ইট বিছানোর কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্টান “জি.এম ট্রেডার্স ”। জানা গেছে পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে নির্মানাধীন ১৪ শত ফুট ইট বিছানোর কাজটি করে যাচ্ছেন ঠিকাদার জসিম উদ্দীন ।উক্ত কাজে বর্তমান দায়িত্বে রয়েছেন বেলাল উদ্দীন প্রকাশ বেলাল মাঝি। দায়িত্বে নিয়োজিত বেলাল মাঝি নিজেই প্রকৌশলী এবং সে নিজেই মিস্ত্রি । প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে বেলাল মাঝি কে বুঝানোর সাধ্য কারো নেই।ইতিপূর্বেও উক্ত বেলাল মাঝি যথগুলো কাজ করেছেন তার মধ্যে গুজামিল রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।প্রাপ্ততথ্যে সরজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় ,২০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মানাধীন ইট বিছানো কাজটিতে ব্যাপক অনিয়মের মধ্যদিয়ে কাজ সম্পন্ন করার পথে রয়েছে।স্থানীয়রা জানান ,ইট বিছানো কাজে কোন ধরনের বালি ব্যবহার করা হয় নাই। বালির পরিবর্তে পাহাড়ের মাটি দিয়েই নির্বিগ্নে চালিয়ে যাচ্ছে ইট বিছানোর কাজ । কোন ধরনের সরকারী ভাবে প্রকৌশলীর তদারকিও চোখে পড়ে নাই।তাছাড়া কাজে ব্যবহার করছে নি¤œ মানের ইট ।সরকারের তদারকি না থাকায় ইচ্ছে মতেই চালিয়ে যাচ্ছে ইট বিছানোর কাজ ।ইট বিছানোর নিয়ম অনুযায়ী বক্র করার কথা থাকলেও তাও করেনি। সামন্য বৃষ্টিতেই ফাক ফোকর হয়ে গেছে রাস্তটি । জন সাধারনের উপকারের জন্য সরকার লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে রাস্তা নির্মান করলেও বর্ষা মৌসুমে রাস্তার ইট পাহাড়ী ঢলে ভেসে নিয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন স্থানীয়রা । বিষয়টি নিয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্টান জি.এম ট্রেডার্সের মালিক ঠিকাদার জসিম উদ্দীনের নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন , আগামী সাপ্তাহে এসে দেখে যাবেন।এ বিষয়ে পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রকৌশলী প্রশান্ত এর নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান , খতিয়ে দেখে তড়িৎ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।