৩ মে, ২০২৬ | ২০ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৫ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার

টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘দুই ডাকাত পক্ষের’ গোলাগুলিতে নিহত ১ : গ্রেফতার ২ ভাই

বিশেষ প্রতিবেদক : টেকনাফে নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় দুটি পক্ষের মধ্যে গোলাগুলিতে এক রোহিঙ্গা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুই ভাইকে।বৃহস্পতিবার ভোর ৪টার দিকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়ায় নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে বলে টেকনাফ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রণজিত কুমার বড়ুয়া জানান।
পুলিশ বলছে, নিহত ও গ্রেপ্তাররা ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। নিজেদের মধ্যে কোন্দলের জেরে তারা ওই ঘটনা ঘটায়। নিহত হোসেন আলীকে (৩২) স্থানীরা ‘বাইল্ল্যা ডাকাত’ বলে চিনেন। তিনি ওই শরণার্থী ক্যাম্পের রোহিঙ্গা মোহাম্মদ সালামের ছেলে। আর গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- আব্দুর রাজ্জাক (৩৫) ও আব্দুস সালাম (৩১) একই ক্যাম্পের বাঁচা আলীর ছেলে।
ওসি রণজিত বলেন, ভোরে নয়াপাড়া ক্যাম্পে দুই দল ডাকাতের মধ্যে গোলাগুলির খবরে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখান থেকে ‘রোহিঙ্গা ডাকাত’ আব্দুল হাকিমের সহযোগী ‘বাইল্ল্যা ডাকাতের’ গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। সে সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নুরুল আলম নামের আরেক রোহিঙ্গা গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পালিয়ে যায় জানিয়ে ওসি বলেন, নুরুল নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে আনসার ব্যারাকের অস্ত্র লুট মামলার আসামি। লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ ওই ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে রাজ্জাক ও সালামকে গ্রেপ্তার করে।
জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেওয়া বক্তব্যের ভিত্তিতে রণজিত বলেন, নিজেদের কোন্দলের জেরে এক সপ্তাহ আগে ‘বাইল্ল্যা ডাকাত’ ও তার সহযোগীরা আব্দুর রাজ্জাককে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে সে কৌঁশলে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়। “এর জেরে রাজ্জাক ও তার অনুসারীরা ভোরে বাইল্ল্যা ডাকাতের বাড়িতে হামলা চালালে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়।” ওসি জানান, নিহত ও গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।