১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

হাসপাতাল ছেড়ে বাড়ির পথে জমিলা

দীর্ঘ ৮ বছর ধরে পেটে টিউমার নিয়ে মরণ যন্ত্রণায় কাতরানো অসহায় নারী জমিলা বেগম সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে কক্সবাজার ফুয়াদ আল-খতিব হাসপাতাল থেকে জমিলাকে নিয়ে পিতা মো. কাছিম ও বোন আজিজা বেগম বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন।
এ সময় জমিলা  বলেন, আমি দীর্ঘ ৮ বছর অশেষ যাতনায় ভোগেছি। এমপি বদি আমার পাশে দাঁড়িয়ে আমাকে নতুন জীবন ফিরিয়ে দিয়েছেন। আমি এমপি বদিসহ সবার কাছে কৃতজ্ঞ।
গত ১১ মার্চ জমিলা বেগমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৫ মার্চ তার পেট থেকে প্রায় ২০ কেজি ওজনের একটি টিউমার অপসারণ করা হয়। এর পর থেকে দিন দিন সুস্থ হয়ে ওঠেন জমিলা।
প্রায় ১ যুগ আগে জমিলার মা রেহেনা বেগম মারা যান। বাচা মিয়া নামে এক যুবকের সাথে তার বিয়ে হলেও সংসারে বিচ্ছেদ ঘটে।


জমিলার বাবা মো. কাছিম নিতান্তই গরীব। এ কারণে মেয়ের চিকিৎসা খরচ যোগাতে পারেনি। অভাব অনটনের কারণে দীর্ঘ ৮ বছর পথের ধারে পড়ে থাকতে হয়েছে স্বামী পরিত্যাক্তা নারী জমিলাকে। অবশেষে সরকার দলীয় এমপি আবদুর রহমান বদি তার পাশে দাঁড়িয়েছেন।
জমিলার গ্রামের বাড়ী টেকনাফের বাহারছরা শামলাপুর এলাকায়।
সুত্র জানায়- শুধু জমিলা বেগম নন, এমপি বদির বদান্যতায় অনেক অসহায় রোুগী এবং শিক্ষার্থী আলোর মুখ দেখেছে।
চিকিৎসার অভাবে টেকনাফের বাহারছরা শামলাপুর বাজারে রাস্তার পাশে যন্ত্রনায় কাতরানো অভিভাবকহীন জমিলার বিষয়ে স্যোশাল মিডিয়া ও অন-লাইন মিডিয়ায় প্রচারিত হলে এমপি আবদুর রহমান বদির নজরে আসে।
তিনি লোক পাঠিয়ে অসহায় অভিভাবকহীন জমিলাকে এনে কক্সবাজার খতীব আল ফুয়াদ হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেন। জমিলার যাবতীয় ব্যয় ভার গ্রহণ করেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।