মূল খবরে যান

শিরোনাম
● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ● বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল● দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম● সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন● কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য● পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু● উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ● আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর

হাসপাতাল ছেড়ে বাড়ির পথে জমিলা

শেয়ার করুন

দীর্ঘ ৮ বছর ধরে পেটে টিউমার নিয়ে মরণ যন্ত্রণায় কাতরানো অসহায় নারী জমিলা বেগম সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে কক্সবাজার ফুয়াদ আল-খতিব হাসপাতাল থেকে জমিলাকে নিয়ে পিতা মো. কাছিম ও বোন আজিজা বেগম বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন।
এ সময় জমিলা  বলেন, আমি দীর্ঘ ৮ বছর অশেষ যাতনায় ভোগেছি। এমপি বদি আমার পাশে দাঁড়িয়ে আমাকে নতুন জীবন ফিরিয়ে দিয়েছেন। আমি এমপি বদিসহ সবার কাছে কৃতজ্ঞ।
গত ১১ মার্চ জমিলা বেগমকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৫ মার্চ তার পেট থেকে প্রায় ২০ কেজি ওজনের একটি টিউমার অপসারণ করা হয়। এর পর থেকে দিন দিন সুস্থ হয়ে ওঠেন জমিলা।
প্রায় ১ যুগ আগে জমিলার মা রেহেনা বেগম মারা যান। বাচা মিয়া নামে এক যুবকের সাথে তার বিয়ে হলেও সংসারে বিচ্ছেদ ঘটে।


জমিলার বাবা মো. কাছিম নিতান্তই গরীব। এ কারণে মেয়ের চিকিৎসা খরচ যোগাতে পারেনি। অভাব অনটনের কারণে দীর্ঘ ৮ বছর পথের ধারে পড়ে থাকতে হয়েছে স্বামী পরিত্যাক্তা নারী জমিলাকে। অবশেষে সরকার দলীয় এমপি আবদুর রহমান বদি তার পাশে দাঁড়িয়েছেন।
জমিলার গ্রামের বাড়ী টেকনাফের বাহারছরা শামলাপুর এলাকায়।
সুত্র জানায়- শুধু জমিলা বেগম নন, এমপি বদির বদান্যতায় অনেক অসহায় রোুগী এবং শিক্ষার্থী আলোর মুখ দেখেছে।
চিকিৎসার অভাবে টেকনাফের বাহারছরা শামলাপুর বাজারে রাস্তার পাশে যন্ত্রনায় কাতরানো অভিভাবকহীন জমিলার বিষয়ে স্যোশাল মিডিয়া ও অন-লাইন মিডিয়ায় প্রচারিত হলে এমপি আবদুর রহমান বদির নজরে আসে।
তিনি লোক পাঠিয়ে অসহায় অভিভাবকহীন জমিলাকে এনে কক্সবাজার খতীব আল ফুয়াদ হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেন। জমিলার যাবতীয় ব্যয় ভার গ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন