২৭ জুন, ২০২৬ | ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১১ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

স্বপরিবারে বেঁচে গেলেন পূজা উদযাপন পরিষদ নেতা দীপক দাশ!

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ অল্পের জন্য স্বপরিবারে প্রাণে বেঁচে গেলেন কক্সবাজার সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতা দীপক দাশ। এঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটায় কক্সবাজার সদর হাসপাতাল সড়কে নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবন থেকে নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত লোহা ও বাঁশের শেড ধসে পড়ে ওই ভবন সংলগ্ন একটি টিনশেড বাড়ির উপর। এসময় ওই বাড়িতে বসবাসকারিদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পায় ওই বাড়িতে অবস্থানকারিরা। প্রাণহানির না ঘটলেও ওই বাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে বৃহস্পতিবার দেখা যায়, হাসপাতাল সড়কের খানেকাহ মসজিদ সংলগ্ন নির্মানাধীন সাত তলা বিশিষ্ট ওই ভবনের চার তলা থেকে নির্মাণকাজে ব্যবহৃত শেড ধসে পড়ে একটি টিনশেড ভবনের উপর। এতে ওই বাড়ির টিন ভেঙে বাড়িটি দেবে যায়। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এসময় চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। ধসে পড়ার আতঙ্কে দিকবিদিক ছুটাছুটি করতে গিয়ে আহত হয় বাড়ি ও দোকানপাটের লোকজনসহ পথচারিরা। স্থানীয়রা জানান, যে বাড়িতে ভবনের শেড ধসে পড়ে ওই বাড়ির মালিক সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপক দাশ। শেড ধসে পড়ার সময় বাড়িতে দীপক দাশসহ তাঁর পরিবারের সদস্যরা অবস্থান করছিলেন। দীপক দাশ জানান, ঝুঁকিপূর্ণভাবে ভবন নির্মাণ করার কারণে শেড ধসে পড়েছে। অল্পের জন্য তিনি স্বপরিবারে রক্ষা পেয়েছেন। তিনি ওই ভবনের মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান। তিনি আরো জানান, হঠাৎ বিকট শব্দে ছুটাছুটি করতে গিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা আহত হয়েছে। এমনকি বাড়ির বাইরের দোকানপাটের লোকজনও আহত হয়েছে। এঘটনায় ওই ভবন মালিকের কঠোর শাস্তি দাবী করেন তিনি। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, হাসপাতাল সড়কে ঝুকিপূর্ণভাবে ভবনটি নির্মাণ করছে সদর উপজেলার বাংলাবাজার এলাকার প্রবাসী কবির আহমদ গং। প্রায় এক বছর আগে ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এখন প্রায় সাত তলা পর্যন্ত উঠে গেছে। তবে ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয় নিয়ম-কানুন না মানায় গত প্রায় আড়াই মাস আগে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। এখন পর্যন্ত নির্মাণ কাজের অনুমতি পায়নি বলে জানিয়েছে একটি সূত্র।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা রাজিবুল হক রিকু জানান, ভবন নির্মাণের নিয়ম না মানার কারণে আড়াই মাস আগে ওই ভবনের কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়। পূণরায় নির্মাণের জন্য ভবনের মালিক আবেদন করেছে। কিন্তু ভবনের পেছনের অংশের কার্ণিশ না ভাঙায় এখনও অনুমোদন দেওয়া হয়নি।
এদিকে ভবন থেকে নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত লোহা ও বাঁশের শেড ধসে পড়ে ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগে ওই ভবনের দুইজন কেয়ারটেকারকে আটক করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভবন মালিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি রনজিত কুমার বড়–য়া।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।