১ আগস্ট, ২০২৬ | ১৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৭ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী

সনিকার বদলে তিনি চলে গেলে ক্ষতি অনেক কম হতো’

­

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর এই প্রথম সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুললেন অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায়। বললেন, সনিকার বদলে তিনি চলে গেলে ক্ষতি অনেক কম হত। সাংবাদিকদের বেশকিছু প্রশ্ন অবশ্য এড়িয়ে গেলেন এই অভিনেতা। গত শনিবার দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বিক্রমের গাড়ি। মারা যান অভিনেত্র-মডেল সনিকা সিং চৌহান। গুরুতর আহত হন বিক্রম। তাঁর বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করে পুলিশ। আজ আলিপুর আদালতে আগাম জামিন পান তিনি। তারপর সাংবাদিক বৈঠক করেন।

সেখানে বিক্রম বলেন, সনিকার বদলে তিনি চলে গেলে ক্ষতি অনেক কম হত। সনিকার চলে যাওয়ায় তিনিও ভীষণভাবে আহত। এখনও মেনে নিতে পারছেন না সনিকার এই চলে যাওয়া।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বিক্রম বলেন, দুর্ঘটনার দিন ক্লাব থেকে ফিরছিলেন তাঁরা। তবে সিট বেল্ট পরেছিলেন কি না এবং মদ্যপান করেছিলেন কি না তা নিয়ে প্রশ্ন করলে এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, পুলিশের কাছে সব জানাবেন তিনি। তারপর নিজস্ব আইনজীবী ও পুলিশের অনুমতি পেলে সংবাদমাধ্যমকেও সব জানাবেন।

দুর্ঘটনার পর সনিকার পরিবারের কাউকে খবর দেওয়া হয়নি কেন, তা জানতে চাইলে বিক্রম জানান, দুর্ঘটনার পর তাঁর বা সনিকার মোবাইল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। আর সনিকার পরিবারের কারও নম্বরও তাঁর কাছে ছিল না। তাই মোবাইল ফেরত পাওয়ার পর তিনি প্রথম নিজের বাবাকেই ফোন করে সব জানান।

খুব তাড়াতাড়ি কাজে ফেরার চেষ্টা করবেন বলেও জানান বিক্রম। শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল হওয়ায় বারবার সংবাদমাধ্যমের সামনে আসতে ভালো লাগছে না তাঁর। তবে যতটা সম্ভব সহযোগিতা করবেন তিনি। সংবাদিকদের উদ্দেশে বিক্রম বলেন, “কোথাও পালাচ্ছি না, এখানেই আছি। ”

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।