২৭ জুন, ২০২৬ | ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১১ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

শ্রেষ্ঠ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী বাংলাদেশের সুমাইয়া

photo
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থী সুমাইয়া সুলতান ২০১৬ সালের শ্রেষ্ঠ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন যিনি সেখানকার ম্যাকুয়ারি ইউনিভার্সিটিতে পড়ছেন।
বিজ্ঞান ও প্রকৌশল প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখার জন্য সম্প্রতি সিডনি অপেরা হাউসে এক অনুষ্ঠানে ডিপার্টমেন্ট অফ প্রিমিয়ার অ্যান্ড কেবিনেটের সংস্থা ‘স্টাডি এনএসডব্লিউ’ তাকে এই সম্মানে ভূষিত করে।
ম্যাকুয়ারি ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে নারীদের সচেতনতা ও গুরুত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘উইমেন ইন সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (ওয়াইজ)’ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন প্রধান উদ্যোক্তা।
সুমাইয়াকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচনের কারণ হিসেবে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, “শুধু শিক্ষাগত অর্জনের জন্য তাকে এই সন্মানে ভুষিত করা হয়নি, সমাজের মুল্যবোধে ইতিবাচক পরিবর্তনে তার অব্যাহত অবদানের জন্যই বিশেষভাবে তাকে এই সন্মানে ভুষিত করা হয়েছে।” ম্যাকুয়ারি ইউনিভার্সিটির ম্যানেজার (ক্যারিয়ার ও এমপ্লয়মেন্ট) জুলি ডোহার্টি সুমাইয়াকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেন।
তিনি বলেন, “সুমাইয়া প্রকৃত অর্থেই একজন ব্যতিক্রমী শিক্ষার্থী, আমি এটা তার অ্যাকাডেমিক সাফল্যের জন্য বলছি না। বরং তার মধ্যে অন্যকে প্রভাবিত করার এবং ব্যতিক্রমী কিছু একটা করার অদম্য স্পৃহা রয়েছে।”
পুরস্কার পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় সুমাইয়া সুলতান বলেন, “আমি প্রথম যেদিন ক্লাসে যাই সেদিন ক্লাসে মাত্র ছয় বা সাতজন নারীকে পাই এবং আমি এই অবস্থার পরিবর্তন করবো বলে মনস্থির করে ম্যাকুয়ারি ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে ‘উইমেন ইন সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (ওয়াইজ) প্রতীষ্ঠার উদ্যোগ নেই।”
তিনি বলেন, এনএসডব্লিউতে যাওয়ার যাওয়ার পর আমার সেই বিশ্বাস আরও জোরালো হয় এবং আমি নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করতে শুরু করি যেন তারা আরো উপরে উঠতে পারে এবং তাদের মধ্যে যে সুপ্ত শক্তি রয়েছে তা জাগিয়ে দেয়ার জন্য।’
তিনি বলেন, “মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই প্রুপের সদস্য ৮২ জনে উন্নীত হয়। গ্রুপের সাফল্যের কারণেই বাইরে থেকে তহবিল সংগ্রহের অনুমতি মিলেছে। সাফল্য না পেলে এটা সম্ভব ছিল না। আর আমাদের আট সদস্যের একটি নির্বাহী গ্রুপের নেতৃত্বও আমি দিচ্ছি।”
সুমাইয়ার বাড়ি ঢাকার দোহারে। তার বাবা আবু সুলতান ভূইয়া ব্যবসা করেন এবং মা মাকসুদা বেগম গৃহিণী।
এ বিষয়ে ম্যাকুয়ারি ইউনিভার্সিটির নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদে বলা হয়েছে, “ইউনিভার্সিটির কমিউনিটিতে থাকা ও পড়াশোনা করতে আসা সবার উন্নততর জীবনযাত্রায় সুমাইয়ার সাফল্য ছিল একটি অনন্য সাধারণ উদাহরণ।”দৈনিকশিক্ষা

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।