মূল খবরে যান

শিরোনাম
● রামুতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, যৌথ অভিযানে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ জব্দ● কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নতুন ভিসি প্রফেসর ড. মোকতার আহমেদ● উখিয়ায় ৯ জীবিত বকসহ শিকারি আটক● নিরাপদ সড়ক গড়তে কক্সবাজারে বিআরটিএর সচেতনতামূলক সভা● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে

লামায় ৫ লাখ চাঁদা না দেয়ায় বিদ্যালয়ের কাজ বন্ধ করে দিল পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা

শেয়ার করুন

লামায় ৫ লাখ টাকা চাঁদার দাবীতে পাহাড়িকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজ বন্ধ করে দিল পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টায় ইউনিফর্ম পরিহিত অস্ত্রধারী ১৫/২০ জন পাহাড়ি সন্ত্রাসী প্রকাশ্যে এই চাঁদা দাবী করেছে বলে জানায় উন্নয়ন কাজের হেডমিস্ত্রি ফজল হক। এসময় চাঁদাবাজরা নিজেদেরকে জেএসএস গ্রুপের সদস্য বলে দাবী করে।
জানা গেছে, উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড কোলাইক্কা পাড়া অবস্থিত পাহাড়িকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের কাজ চলছিল। এলজিইডি’র বাস্তবায়নে ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে কাজটি করছে বান্দরবান মধ্যম পাড়ার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মি. ইউটি মং।
মিস্ত্রি ফজল হক বলেন, সন্ত্রাসীরা একমাস আগে এসে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেছিল। চাঁদা না দেয়ায় শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টায় ইউনিফর্ম পরিহিত অস্ত্রধারী ১৫/২০ জন পাহাড়ি সন্ত্রাসী এসে কাজ বন্ধ করে দেয়। আমি ও সহকারী মিস্ত্রি মিলে ৫ জন ছিলাম। তারা এসে আমাদের গাছের সাথে বেধে প্রচন্ড মারধর করে। সহকারী মিস্ত্রি মোঃ মাসুমকে এসএমজি (সট মেশিনগান) দিয়ে আঘাত করলে তার ডান চোখের পাশে কেটে রক্তখনন হয়। প্রায় ২ঘন্টা মারধর করে আমাদের ছেড়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। সামনে চাঁদার টাকা না নিয়ে আসলে লাশ হয়ে ফেরত যেতে হবে বলে হুশিয়ারী দেয় আমাদের। এসময় তারা আরো কয়েকজন ব্যবসায়ীকে বেধে টাকা আদায় করে।
বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি নেপিউ মুরুং বলেন, সন্ত্রাসীরা অধিকাংশ চাকমা। তাদের মধ্যে কয়েকজন মারমা রয়েছে। এরা জেএসএস গ্রুপের সদস্য।
এবিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, বিষয়টি আমাদের কেউ জানাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

শেয়ার করুন