৩ জুলাই, ২০২৬ | ১৯ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৭ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

লামায় ৫ লাখ চাঁদা না দেয়ায় বিদ্যালয়ের কাজ বন্ধ করে দিল পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা

লামায় ৫ লাখ টাকা চাঁদার দাবীতে পাহাড়িকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজ বন্ধ করে দিল পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টায় ইউনিফর্ম পরিহিত অস্ত্রধারী ১৫/২০ জন পাহাড়ি সন্ত্রাসী প্রকাশ্যে এই চাঁদা দাবী করেছে বলে জানায় উন্নয়ন কাজের হেডমিস্ত্রি ফজল হক। এসময় চাঁদাবাজরা নিজেদেরকে জেএসএস গ্রুপের সদস্য বলে দাবী করে।
জানা গেছে, উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড কোলাইক্কা পাড়া অবস্থিত পাহাড়িকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের কাজ চলছিল। এলজিইডি’র বাস্তবায়নে ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে কাজটি করছে বান্দরবান মধ্যম পাড়ার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মি. ইউটি মং।
মিস্ত্রি ফজল হক বলেন, সন্ত্রাসীরা একমাস আগে এসে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেছিল। চাঁদা না দেয়ায় শুক্রবার বেলা সাড়ে ১২টায় ইউনিফর্ম পরিহিত অস্ত্রধারী ১৫/২০ জন পাহাড়ি সন্ত্রাসী এসে কাজ বন্ধ করে দেয়। আমি ও সহকারী মিস্ত্রি মিলে ৫ জন ছিলাম। তারা এসে আমাদের গাছের সাথে বেধে প্রচন্ড মারধর করে। সহকারী মিস্ত্রি মোঃ মাসুমকে এসএমজি (সট মেশিনগান) দিয়ে আঘাত করলে তার ডান চোখের পাশে কেটে রক্তখনন হয়। প্রায় ২ঘন্টা মারধর করে আমাদের ছেড়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। সামনে চাঁদার টাকা না নিয়ে আসলে লাশ হয়ে ফেরত যেতে হবে বলে হুশিয়ারী দেয় আমাদের। এসময় তারা আরো কয়েকজন ব্যবসায়ীকে বেধে টাকা আদায় করে।
বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি নেপিউ মুরুং বলেন, সন্ত্রাসীরা অধিকাংশ চাকমা। তাদের মধ্যে কয়েকজন মারমা রয়েছে। এরা জেএসএস গ্রুপের সদস্য।
এবিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, বিষয়টি আমাদের কেউ জানাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।