৩ মে, ২০২৬ | ২০ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৫ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার

রোহিঙ্গা হত্যার অভিযোগ অস্বীকার সু চি’র

 

 


মিয়ানমারের সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন দেশটির নেত্রী অং সান সু চি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, রাখাইন রাজ্যে যেখানে রোহিঙ্গা মুসলিমরা বসবাস করেন সেখানকার সংকট সম্পর্কে অবগত আছেন তিনি। তবে জাতিগতভাবে রোহিঙ্গাদের নিশ্চিহ্ন করে ফেলার অভিযোগটি ঠিক নয়।

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়না এমন কিছু ঘটছে। যা হচ্ছে তাকে আমরা মুসলিমদের নিশ্চিহ্ন করা বলতে পারিনা। তিনি দাবি করেন, যেকোন রোহিঙ্গা দেশে ফিরে আসলে স্বাগত জানাবেন তিনি।

অনেকে মনে করেন, এই বিষয়ে সু চির নীরব ভূমিকা তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। মানবাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তিনি সারাবিশ্বে প্রশংসিত ছিলেন। পেয়েছেন নোবেল শান্তি পুরস্কার। তবে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উপর অত্যাচারের পর থেকে জাতিসংঘ সহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপে পড়েছেন সু চি।

গত বছরের অক্টোবর থেকে রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের লক্ষ্য করে নির্যাতন চালাতে থাকে মিয়ারমার সেনারা। বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয় প্রায় ৭০ হাজার রোহিঙ্গা। গত মাসে বিষয়টি তদন্তের ঘোষণা দেয় জাতিসংঘ।

তবে সু চি বলেছেন, তিনি মার্গারেট থ্যাচার নন, আবার মাদার তেরেসাও নন। তিনি একজন রাজনীতিবিদ। এবিষয়ে তিনি আগেও কথা বলেছেন। শান্তিতে নোবেলজয়ী এ রাজনীতিবিদের দাবি, ২০১৩ সালের পর থেকেই এবিষয়ে কথা বলে আসছেন তিনি। কিন্তু সবার কাঙ্খিত কথা বলেন নি দেখেই অভিযোগ উঠে যে তিনি নীরব। সু চি বলেন, ‘মানুষ চায় আমি যেকোনও একটি সম্প্রদায়ের নিন্দা জানাই। সেটা করছি না বলে সবাই ভাবছে আমি কিছু বলিনা।’

সূত্র : বিবিসি

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।