১১ জুলাই, ২০২৬ | ২৭ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৫ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জরুরি বৈঠক ডেকেছে ওআইসি

মায়ানমারের রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় জরুরি বৈঠক ডেকেছে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)।

বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর জোটটির মহাসচিব ড. ইউসুফ এ আল-উসাইমিন ওআইসির নিউইয়র্ক, জেনেভা ও ব্রাসেলসের স্থায়ী মিশনগুলোকে এ জরুরি সভা করার নির্দেশ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৩ ডিসেম্বর) ওআইসির ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে ওআইসি মহাসচিবের তরফ থেকে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন বন্ধ করার পাশাপাশি রাখাইন রাজ্যের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করতে মায়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

ওআইসি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে মায়ানমারের ওপর চাপ বাড়াতে চায়।

শুরু থেকেই ওআইসি মহাসচিব মায়ানমারে রোহিঙ্গাদের উপর নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়ে আসছেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মায়ানমার সরকারকে তার অবস্থান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে পরিষ্কার করার আহ্বান জানিয়ে ওআইসি মহাসচিব জোর গলায় বলেন, জাতিসংঘ ও আসিয়ানের সদস্য হিসেবে, আন্তর্জাতিক নীতিমালা ও ঘোষণা অনুযায়ী মানবাধিকার রক্ষায় মায়ানমার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সে হিসেবে মায়ানমারকে অবশ্যই মানবাধিকার রক্ষার প্রাসঙ্গিক চুক্তি ও ঘোষণাসহ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে।

তিনি বলেন, সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের উদ্দেশ্যমূলকভাবে হত্যা, নির্যাতন, গ্রেফতার, ঘর-বাড়ি ও প্রার্থনালয় জ্বালিয়ে দেওয়া, নারী ধর্ষণসহ মায়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আছে; তার পুরোপুরি আন্তর্জাতিক তদন্ত জরুরি। কেননা, এসব মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।

ওআইসি মহাসচিব আশা করেন, মায়ানমারে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসবে এবং রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন বন্ধ হবে। তারা সমঅধিকার ও স্বাধীনতা ভোগ করবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।