৪ আগস্ট, ২০২৬ | ২০ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২০ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?

সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী এলাকাবাসীর

আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা উত্তর বড়বিল এলাকায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় প্রকৃত জড়িতদের বাদ দিয়ে নিরপরাধ ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জুলাই উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের মরিচ্যা বড়বিল এলাকার বাসিন্দা আয়েশা বেগম (৫৮)এর
বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাব ১৫ এর আভিযানিক দল। অভিযানে তার বসতঘর থেকে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয় এবং আয়েশা বেগমকে আটক করা হয়। পরে পুলিশ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করে। এলাকার একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অভিযানের সময় আয়েশা বেগম উদ্ধার হওয়া ইয়াবার প্রকৃত মালিক হিসেবে স্থানীয়রা দুই ব্যক্তি নাম বলেন, স্থানীয় আবু হানিফ ভুট্টো ও রামুর পূর্ব গোয়ালিয়া এলাকার বেলাল উদ্দিন (ডালিম) এর নাম উল্লেখ করেন এবং ওই ৫০ হাজার পিস ইয়াবাগুলো আয়েশা বেগমের বাসায় নিয়ে যান স্থানীয় আব্দুল খালেক তিনি ভুট্টোর ইয়াবার ক্যারিয়ারম্যান হিসাবে পরিচিত । কিন্তু পরবর্তীতে মামলা দায়েরের সময় ওই দুই ব্যক্তির নাম বাদ দিয়ে অন্য দুইজনকে আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ভট্টো ও ডালিম তারা দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। তারা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে উত্তর বড়বিল হয়ে রাবারড্রাম সহ বিভিন্ন চোরাপথ দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ ইয়াবা পাচার করে তাদের সিন্ডিকেট।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি চক্রের সহযোগিতায় এবং মোটা অঙ্কের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে প্রকৃত অভিযুক্তদের মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় মামলার আসামি হওয়া ব্যক্তিদের স্বজনরা দাবি করেছেন, প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করা হলে তা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী হবে। তারা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে প্রকৃত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের শনাক্ত ও তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

এলাকার সচেতন মহলও বলছে, মাদকের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে তদন্তে কোনো ধরনের গাফিলতি বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই। প্রকৃত অপরাধীরা আইনের বাইরে থেকে গেলে মাদক কারবার আরও বিস্তার লাভ করবে এবং নিরপরাধ মানুষ হয়রানির শিকার হবে। তাই তারা উর্ধ্বতন পুলিশ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)-এর বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
#নিউজ সূত্রঃ দৈনিক দৈনন্দিন পত্রিকা

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।