১১ জুলাই, ২০২৬ | ২৭ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৫ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালীতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাতজনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন অনেকেই। ঘটনা তদন্তে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত শেষে জানা যাবে।

এর আগে, মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) সকালে অতিরিক্ত ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. শামসু-দ্দৌজা জানান, ঘটনাস্থলে প্রশাসনের কয়েক স্তরের কর্মকর্তা উপস্থিত রয়েছে। এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে প্রাথমিক হিসেবে প্রায় ১৫ হাজার ঘর পুড়ে গেছে। এসব ঘরে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের অস্থায়ীভাবে রাখা হয়েছে।

গত সোমবার (২২ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বালুখালী রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে আগুন লেগে আনুমানিক ১৫ হাজারের বেশি বাড়িঘরসহ, মসজিদ, দোকানপাট, হাসপাতাল ও এনজিওর ভবন পুড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। ওইদিন বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে আগুন লেগে প্রায় রাত ১০ টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা। বালুখালী ৯ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এরপর একে একে বেশ কয়েকটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুনে নারী ও শিশুসহ সাতজন নিহত হয়েছে বলে জানাগেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) সকাল হতে বিভিন্ন জায়গা থেকে পুড়ে ছাই হওয়া সেই জায়গায় ফিরে আসতে দেখা গেছে রোহিঙ্গাদের। দলেদলে পরিবারসহ পুরনো ঠিকানায় ফিরছে তারা। অনেকেই নতুন কাঠ, বাস নিয়ে ফিরছে। দেখা গেছে, স্বাস্থ্যকর্মীরা আহত মানুষদের সেবা প্রদান করছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত এক রোহিঙ্গা জানান, আমাদের বাড়িঘর ও খাবারসহ সব পুড়ে গেছে। আমরা পরিবারসহ খোলা আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করেছি। সর্বস্ব হারিয়ে এখন পুড়ে যাওয়া স্থানেই ফিরেছি। আরেক রোহিঙ্গা জানান, বাড়িঘর পুড়ে যাওয়ায় পরিবারসহ পাশ্ববর্তী ক্যাম্পে অবস্থান নিয়েছিলাম। এখন পরিবারসহ এখানে আসলাম।

এর আগে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, গতকাল অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা শেষে হাজার হাজার রোহিঙ্গা বিভিন্ন স্থানে চলে গেছে। অনেকেই বিভিন্ন ক্যাম্পে তাদের স্বজনদের বাড়িতে চলে গেছে। এছাড়াও হাজারো রোহিঙ্গা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পরিবারসহ স্থানীয় গ্রামগুলোতে ঢুকে পড়েছে। তাদের মধ্য থেকে অনেকেই স্থান না পেয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খোলা আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করতে দেখা গেছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।