২৭ জুন, ২০২৬ | ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১১ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

রামুর বাঁকখালী নদীতে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা উদ্বোধন

r28-640x427কক্সবাজারের রামুতে বর্ণিল আয়োজনে শুরু হলো ঐতিহ্যবাহি নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। গ্রামীণ লোকজ ঐতিহ্য নৌকা বাইচ খেলা দেখতে নদীর দুই তীর মুখরিত করে তোলে হাজার হাজার নারী-পুুরুষ।

শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল ৩ টায় রামু তেমুহনী ষ্টেশনের পূর্বপাশে ওসমান সরওয়ার আলম চৌধুরী সেতু সংলগ্ন বাঁকখালী নদীতে রামু কেন্দ্রীয় নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা- ২০১৬ এর চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল আলমের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব আবুল বশর মেম্বারের সঞ্চালনায় এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, কক্সবাজার সদর-রামু আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল। তিনি বলেন, সাহিত্য, সংস্কৃতি, লোকজ ঐতিহ্যে ভরপুর পর্যটন শহর রামু উপজেলা।

এখানে রয়েছে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা। গ্রামীণ লোকজ ঐতিহ্য নৌকা বাইচ খেলা। শত বছর আগে রামুর বাঁকখালী নদীতে রাখাইনরা নৌকা বাইচ খেলা শুরু করেন। কালক্রমে এ খেলা আমাদের ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধক উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম বলেন, রামুর ক্রীড়াঙ্গনের আলোকিত মানুষরা আবহমান কাল ধরে বাঁকখালী নদীতে নৌকা বাইচ খেলা আয়োজন করে আসছেন। তাঁদের অনেকে আজকে আমাদের মাঝে নেই। সেই সব গুণি ক্রীড়া ব্যক্তিত্বকে স্মরণ করে তিনি বলেন, পুরোনো দিনের জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে এ প্রতিযোগিতা আয়োজন অব্যাহত রাখতে হবে।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন রামু উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এড. আবুল মনছুর চৌধুরী, রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহজাহান আলী, জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি জাফর আলম চৌধুরী, মহিলা সম্পাদিকা মুসরাত জাহান মুন্নি, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবুল শর্মা, রামু থানার ওসি তদন্ত কবির হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা রুস্তুম আলী চৌধুরী, গর্জনিয়া চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, কচ্ছপিয়ার সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আমিন কোম্পানী, কাউয়ারখোপ চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ, ঈদগড় চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমদ ভূট্টো, শহিদুল্লাহ চেয়ারম্যান, চাকমারকুল চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার, দক্ষিণ মিঠাছড়ি চেয়ারম্যান ইউনুচ ভূট্টো, নুরুল হক কোম্পানী, রশিদ নগর চেয়ারম্যান এমডি শাহ আলম, আওয়ামীলীগ নেতা মাষ্টার ফরিদ আহমদ, ইউনুচ খান, সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুর শুক্কুর, সাংবাদিক খালেদ হোসেন টাপু, এমপি কমলের ব্যক্তিগত সহকারী আবু বক্কর ছিদ্দিক, ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেন, আয়োজক কমিটির মধ্যে নুরুল আমিন মাষ্টার, আবদুল মালেক চৌধুরী ভূলু, মহি উদ্দিন, আবদুর রহিম, হাসান আজিজ, আসাদ উল্লাহ, ওমর ফারুক মাসুম, সাইফুল ইসলাম খোকন, সাইফুল ইসলাম সাবেক মেম্বারসহ সকল ইউপি সদস্য বৃন্দ। প্রতিযোগিতায় কক্সবাজার সদর ও রামু উপজেলার ২৬টি নৌ দল অংশ নিচ্ছে।

এদিকে ‘জাজেজ রেডি, গো’ ঘোষকের মাইকে ঘোষণার সাথে সাথে বাঁকখালীর পানিতে তরঙ্গ তুলে ছুটে চলে দু’নৌকার আট মাঝি-মাল্লা। নদীর দু’পাড়ে হাজার হাজার শিশু-যুবক, নারী-পুরুষের উচ্ছাস ধ্বনি ‘মারো মারো’। প্রিয় নৌকা বাইচ দলের মাঝি-মাল্লাকে দ্রুত দাঁড় বেয়ে এগিয়ে যেতে নদীর হাটু-কোমর পানিতে নেমেও ‘মারো মারো’ শব্দে উজ্জীবিত করেন সমর্থকরা। উদ্বোধনী ব্যাচে রামু লম্বরী পাড়া কমিটি ও কলঘর মিজান ভাই ভাই কমিটির মধ্যে শুভ সূচনা হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।