৩০ জুন, ২০২৬ | ১৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

রামুতে অস্ত্রসহ দুই শীর্ষ ডাকাত গ্রেপ্তার

হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী: কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের সিবাতলী গ্রামে গতকাল মঙ্গলবার ভোরে অভিযান চালিয়ে দুই ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় তাঁদের কাছ থেকে দুটি দেশিয় তৈরী একনলা বন্দুক (অস্ত্র) উদ্ধার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, গর্জনিয়া ইউনিয়নের মাঝিরকাটা গ্রামের মৃত সোলতান আহমদের ছেলে আবদুর রহিম (৩০) ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামের মৃত মো. ইসলামের ছেলে আবু নয়ন ওরফে সোনা মিয়া (৩৩)।
অভিযানে উপস্থিত গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ীর সহকারি উপপরিদর্শক (এএসআই) জুয়েল বড়–য়া ও মো.কাউসার বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা পাহাড়ী এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল- এমন খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। তাঁরা রামুর পূর্বাঞ্চলের ত্রাস হিসাবে পরিচিত। এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে রামু থানায় ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে পৃথক মামলা রুজু করেছে।
গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (ওসি, তদন্ত) কাজি আরিফ উদ্দিন বলেন, আবদুর রহিম ও সোনা মিয়া উপজেলার শীর্ষ ডাকাত। রামু ও নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় রহিমের বিরুদ্ধে ডাকাতি, বন এবং অপহরণ মিলিয়ে ১৫টি আর সোনা মিয়ার বিরুদ্ধে ৬টি মামলা রয়েছে। অনেক প্রচেষ্টা চালিয়ে এদেরকে পুলিশের জালে আটকানো সম্ভব হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আবদুর রহিম ও সোনা মিয়া ৪০জনের একটি ডাকাত সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন। আগে এই দলের নেতৃত্ব দিত গর্জনিয়া ইউনিয়নের মাঝিরকাটা গ্রামের হাজী ইসলামের ছেলে শীর্ষ সন্ত্রাসী মোহাম্মদ শাহীন। শাহীন বর্তমানে কক্সবাজার জেলা কারাগারে হাজতবাস করছে। স্থানীয়দের ধারণা গ্রেপ্তারকৃতদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাধ করা হলে অপরাধ জগৎ এর অনেক তথ্যই বেরিয়ে আসবে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।