১২ আগস্ট, ২০২৬ | ২৮ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ২৮ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন   ●  কক্সবাজারে বনভূমি দখল উচ্ছেদে গিয়ে হামলা, রেঞ্জ কর্মকর্তাসহ ৫ বনকর্মী আহত   ●  স্নাতকের শেষবর্ষের ছাত্র ইমরানকে ‘ছাত্রলীগ ট্যাগ’ লাগিয়ে নাশকতা মামলায় চালান, পরীক্ষা চলাকালেই পাঠানো হলো কারাগারে   ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার

“মোরা”য় নিখোঁজ ৫৩ জেলের সন্ধান পায়নি পরিবার

গভীর বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিল ৫৩ জেলে। দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর এই বাসিন্দারা ৬টি ট্রলারসহ নিখোঁজ। তাদের সন্ধান মেলেনি আজও।

জেলে পল্লী হিসাবে একই গ্রাম থেকে ৪৩ জন অন্যান্য গ্রাম থেকে ১০ জন জেলে পরিবারে কান্না থামছে না। অপরদিকে অসহায়, গৃহহীন জেলেদের আর্তনাদ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

২৯ মে ভোর থেকে প্রাকৃতিক ঘূর্নিঝড়  “মোরা”র আবহাওয়া সতর্ক সংকেত শুরু হলে বিকাল ৩ টায় ৭নং বিপদ সংকেত রেডিও মারফত জানতে পারে জেলেরা।

সংবাদ শুনে ট্রলারের কাজে ব্যবহৃত জাল, গোছা, লোয়াইং, কন্টিনার ভর্তি করে খুলে ফিরে আসার প্রস্তুতি গ্রহণ করে। এমন সময় বঙ্গোপসাগরে অদূরে গুলিধার নামক স্থানে বিভিন্ন পয়েন্টে ফিরে আসা ট্রলারগুলি প্রাকৃতিক ঘুর্ণিঝড় মোরার ১০নং মহা বিপদ সংকেত শুরু হলে ৩০ মে ভোর রাতে মোরার  কবলে পড়ে ৬টি ফিশিং বোট। এর মধ্যে ৫টি ফিশিং বোট মাঝিমাল্লাসহ সাগরে ডুবে যায়। এ সময় সাঁতার জানা ও জোয়ারের সময়ে সোনাদিয়া চ্যানেলে ২৮ জন, বিভিন্ন উপকূলে আরো ২৮ জন জেলে ৩০ মে সন্ধ্যায় জীবিত উদ্ধার হয়।

৫টি ট্রলার থাকা ২ জেলে সরাসরি মৃত্যু বরণ করে। ২ জেলেকে মহেশখালীতে দাফন করা হয়। এখনো আরো ৫৩ জেলে সাগরে নিখোঁজ রয়েছে ।

নিখোঁজ জেলেদের পরিবার তার সজন ও পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে চরম অসহায় দিনযাপন করছে।

এ ব্যাপারে, মহেশখালী কুতুবদিয়ার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আশেক উল্লাহ রফিক জানায়, সরকারের তরফ থেকে নিখোজঁ পরিবার কে পূর্নবাসন করতে বিশেষ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। নিখোঁজ জেলেদের সন্তানদের লেখাপড়ার দায়িত্ব তিনি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে চালিয়ে নেওয়া ঘোষণা দেন।

মহেশখালীর ইউএনও আবুল কালাম জানান, নিখোঁজ জেলেদের মধ্যে গৃহহীনদের একটি করে বাড়ী তৈরী করে দিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে তালিকা প্রেরণ করা হয়েছে।

সূত্র- ইত্তেফাক

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।