৬ জুলাই, ২০২৬ | ২২ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২০ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

মালয়েশিয়ায় বৈধতা পাবেন ২ লাখের বেশি বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ায় চলমান ‘রি-হায়ারিং’ কর্মসূচির আওতায় দুই লাখেরও বেশি অবৈধ বাংলাদেশি কর্মী বৈধতা পেতে পারেন। বৈধতা পেতে আগামী ৩০ জুনের মধ্যে অস্থায়ী পাস (ই-কার্ড) গ্রহণ করতে হবে। গত বুধবার থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী কাগজপত্রহীন সকল বিদেশি শ্রমিকদের বৈধতার আওতায় আনতে এ কর্মসূচি নিয়েছে দেশটি।

বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জাবেদ আহমেদ সমকালকে জানান, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১ লাখ ৮৮ হাজার বাংলাদেশি কর্মী ই-কার্ডের জন্য আবেদন করেছেন। ই-কার্ড পেলে তারা আগামী বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বৈধভাবে মালয়েশিয়ায় কাজ করার সুযোগ পাবেন।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় আশা করছে, দুই লাখেরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী ই-কার্ড গ্রহণ করে বৈধতা পাবেন।

জাবেদ আহমেদ বলেন, বর্তমানে যেসব বাংলাদেশি কর্মী নানা কারণে অবৈধ হয়ে গেছেন, লুকিয়ে কম বেতনে কাজ করছেন, যাদের কোনো প্রকাশ কাগজপত্র নেই, তারাও এই সুবিধা নিতে পারেন। ই-কার্ড পেলে পুলিশের ধরপাকড়ে পড়তে হবে না। লুকিয়ে কম বেতনে কাজ করতে হবে না। ভবিষ্যতে ভিসার মেয়াদও বাড়ানোর সুযোগ থাকবে।

অবৈধ বাংলাদেশি কর্মীদের ‘রি-হায়ারিং’ কর্মসূচির অধীনে বৈধতার জন্য আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর সায়েদুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশি কাগজপত্রহীন শ্রমিকদের বৈধতা দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর নাজিব তুন রাজ্জাককে অনুরোধ করেন। এ অনুরোধে সাড়া দিয়ে মালয়েশিয়া ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ই-কার্ড কার্যক্রম শুরু করে।

শ্রম কাউন্সিলর জানান, অবৈধ কর্মীদের বৈধতা দিতে দুই ধরনের পাস দেওয়া হবে। প্রথমত যাদের কোনো ধরনের কাগজপত্র নেই, তারা নিয়োগকারীর মাধ্যমে আবেদন করলে একটি লাল ই-কার্ড দেওয়া হবে। সেই কার্ড নিয়ে নিয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনে এসে পাসপোর্ট করতে হবে। পাসপোর্ট নেওয়ার পর মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন থেকে নীল ই-কার্ড দেওয়া হবে। এই কার্ডের মেয়াদ হবে এক বছর।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।