১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

মাদক কারবারিরা এলাকা ছাড়ুন- এসপি

বিশেষ প্রতিবেদক:

সিনহা হত্যা ও রায়ের পর কক্সবাজার ও টেকনাফে মাদক ব্যবসায়ীরা অনেকটা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোরতাও কম ছিল। সেই সুযোগে অবাধে মাদক পাচার করেছে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট। এতদিন পর কক্সবাজারের পুলিশ টেকনাফে পুলিশের ওপেন হাউজ ডে মিটিংয়ে কঠোর হুশিয়ারী দিয়ে বলেছেন-মাদকের বিরুদ্ধে কারো কোন তদবির চলবে না। কারো সুপারিশ শোনা হবে না। এবার নতুন করে আবার অভিযান শুরু করা হবে। মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বলতে চাই- ‘হয় মাদক ছাড়ো, না হয় টেকনাফ ছাড়ো। নতুবা আপনাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে কক্সবাজার জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মো: হাসানুজ্জামান হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাে: হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে শনিবার (১২ মার্চ) থানা প্রাঙ্গনে ওপেন হাউজ ডে’ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাদক কারবারীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে এসব কথা বলেন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, মাদক ব্যবসা চলমান রাখার জন্য রোহিঙ্গাদের কিছু লোক ক্যাম্পের বাহিরে আশ্রয় দিয়েছে। যার কারণে কারনে মাদক প্রতিরোধ সম্ভব হচ্ছে না। তবে এসব রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। মাদক কারবারীদের আর ছাড় দেওয়া হবে না। আপনাদেরকে সাথে নিয়েই আমরা কাজ করতে চাই। টেকনাফকে মাদক মুক্ত করে ছাড়বো। টেকনাফে কোন মাদক কারবারি স্থান হবে না। তাই হয়তো মাদক ছাড়ুন না হয় এলাকা ছাড়ুন।

ওপেন হাউজ ডে’ আলোচনা সভায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উখিয়া-টেকনাফ) সার্কেল শাকিল আহমেদ বিপিএম, টেকনাফ পৌর মেয়র হাজি মুহাম্মদ ইসলাম, টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) মাস্টার জাহেদ হোসেন, সহসভাপতি এমএ জহির,

টেকনাফ উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিং এর সভাপতি মোহাম্মদ আলম বাহাদুর, হ্নীলা ইউপির চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী, বাহারছড়া ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন খোকন, টেকনাফ পৌর কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি সাইফুদ্দিন খালেদসহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।