৮ জুলাই, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২২ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

মহেশখালীতে বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৩ লবণ শ্রমিকের

কক্সবাজারের মহেশখালীতে বজ্রপাতে তিন লবণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৪ এপিল) বিকেল ৪টার দিকে কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাতে তাদের মৃত্যু হয়। এ সময় ঝড়ে বিপুল পরিমাণ লবণ ও কাঁচা ঘরবাড়ি এবং সেমিপাকা বাড়ির চালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নিহতরা হলেন- মহেশখালীর হোয়ানক পশ্চিম বানিয়াকাটা এলাকার নেছার আহম্মদের ছেলে মানিক (১৭)। তিনি মানিক মৈন্নাঘোনা লবণ মাঠে কাজ করা অবস্থায় বজ্রাপাতে নিহত হন। অপরজন পেকুয়া উপজেলার টৈটং ধৈনিনিয়া কাটা এলাকার ছৈয়দুর রহমানের ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (২৫)। তিনি হোয়ানকের আন্নুঘোনায় লবণ মাঠে কাজ করা অবস্থায় বজ্রপাতে নিহত হন। আর বড়মহেশখালী ইউনিয়নের জাগিরাঘোনার এলাকার জালাল আহমদের ছেলে মো. ফারুক (২৫) কালাপাইন্না ঘোনায় বজ্রপাতে মারা যান।

হোয়ানক ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নুরুল কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তারা তিনজনই লবণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। কালবৈশাখী ঝড় শুরুর সঙ্গে সঙ্গে মাঠের লবণ কুড়াতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হন তারা। এ সময় ঝড়ে ও বৃষ্টির তোড়ে মাঠে উৎপাদিত লবণ ক্ষয়ে বেশ ক্ষতি হয়েছে। ভেসে গেছে মাঠের লবণও।

মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জামিরুল ইসলাম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর নিয়ে জেনেছি কালবৈশাখীর তাণ্ডবে উপজেলার তারবাড়ী, ধলঘাটা, কালামারছড়া, হোয়ানক, বড়মহেশখালী, কুতুবজোম ও পৌরসভার লবণ চাষীদের মাঠের লবণ বৃষ্টির পানিতে ভেসে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। নিহতদের পরিবারে সরকারি সহায়তা পাঠানো হবে।

জাগোনিউজ

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।