২২ আগস্ট, ২০২৬ | ৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৮ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

বিচারাধীন ৬৬ হাজার মামলার বয়স বিবেচনায় দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে

img_20161112_190119
কক্সবাজারের আদালত সমূহে ৬৬ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এসব বিচারাধীন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি সহ মামলার বয়স বিবেচনায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হয়। শনিবার (১২ নভেম্বর) জেলা ও দায়রা জজ আদালত, কক্সবাজার এর সম্মেলন কক্ষে জেলা ও দায়রা জজ, কক্সবাজার মীর শফিকুল আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্টিত বিচার বিভাগীয় সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্মেলনে জেলায় বিচারাধীন সর্বমোট ৬৬ হাজার মামলা দ্রুততার সঙ্গে ও মামলার বয়স বিবেচনায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হয়। জেলা ও দায়রা জজ মীর শফিকুল আলম দেওয়ানী ও ফৌজদারী বিচার প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত বিজ্ঞ বিচারকগণ, পুলিশ বিভাগ, র‌্যাব, বিজিবি, সরকারী আইন কর্মকর্তা ও সিনিয়র বিজ্ঞ আইনজীবিগণ সহ উপস্থিত সকলকে আন্তরিকতার সঙ্গে বিচার প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সকল প্রকার সমন্বয় সাধনের আহ্বান জানান।

দেওয়ানী ও ফৌজদারী মোকদ্দমার বিচার নিষ্পত্তিতে উদ্ভুতসমস্যা ও বিলম্বের কারণ সমূহ চিহ্নিতকরণ ও উত্তরণের উপায় সম্পর্কে সভায় জেলার বিজ্ঞ সিনিয়র আইনজীবিগণ সহ জেলার পাবলিক প্রসিকিউটর জনাব মমতাজ আহমদ, জি.পি ও আইনজীবি সমিতির সভাপতি জনাব ইসহাক মিয়া, সমিতির সাধারণ সম্পাদক জনাব আ.জ.ম. মঈন উদ্দিন, সিভিল সার্জন, পুলিশ সুপার জনাব শ্যামল কুমার নাথ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব খালেদ মাহমুদ, বিজিবি’র কমান্ডিং অফিসার কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার প্রমূখ বিরাজমান সমস্যা সমূহ সমাধানকল্পে গুরুত্বপূর্ণ অভিমত প্রদান করেন।

সিনিয়র সহকারী জজ অসীম কুমার দে’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন সহকারী জজ জনাব মোঃ আবুল মনসুর সিদ্দীকী। সভায় জেলার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ তৌফিক আজিজ, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ জনাব ওসমান গনি, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ জনাব ফখরুল আবেদীন, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মুহাম্মাদ মোশাররফ হোসাইন, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব অরুন পাল, জনাব নিশাদুজ্জামান, জনাব মোঃ নেজামউদ্দিন, জনাব মাহমুদুল ইসলাম, জনাব তৌহিদুল ইসলাম, জনাব সুশান্ত প্রসাদ চাকমা, জনাব মোঃ সিরাজ উদ্দিন এবং সিনিয়র সহকারী জজ জনাব শফিউল আলম, জনাব কনক বড়–য়া ও জনাব আসমা বেগম।

বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ তৌফিক আজিজ তাঁর বক্তব্যে সম্প্রতি সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক প্রকাশিত ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ও ১৬৭ ধারার আলোকে প্রণীত নির্দেশাবলী আইন প্রয়োগকারী সকল সংস্থা ও বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটগণের জন্য অবশ্যই অনুসরণীয় মর্মে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করেন।

কর্মসূচীতে দিনের দ্বিতীয়ার্ধে/অপরাহ্নে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞবিচারকগণ ও চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটগণ পৃথক আলোচনা সভায় নিজ নিজ প্রতিবেদন সহ দেওয়ানী ও ফৌজদারী আদালতের কার্যক্রম পরিচালনায় উদ্ভুত সমস্যা সমূহ চিহ্নিতক্রমে ভবিষ্যত কর্মপন্থা সহ সুপারিশ মালা প্রণয়ন করা হয়।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।