১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ১৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১৮ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক হলেন সোহেল   ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে ভারতের দুটি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে ভারত সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে যখন তোলপাড় ঠিক সেসময়ই মিয়ানমার ও বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর দুটি নতুন অভিবাসন চেকপোস্ট ((ইমিগ্রেশন চেক পোস্ট) খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এই দুটি মিজোরামের লুংলেই ও লংরথলাই জেলায় অবস্থিত। বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়েই এই দুই সীমান্ত দিয়ে প্রতিবেশি দুই দেশে ভ্রমণ করা যাবে।

শনিবার ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার মিয়ানমার সীমান্ত বরাবর মিজোরামের লংরথলাই জেলার জোরিনপুরি ল্যান্ড চেক পোস্ট’কে অভিবাসন চেক পোস্ট হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে, যেখান দিয়ে বৈধ ট্রাভেল ডকুমেন্ট সাথে নিয়ে সব শ্রেণীর যাত্রীরা ভারত থেকে মিয়ানমার এবং মিয়ানমার থেকে ভারত যাতায়াত করতে পারবেন।

অন্য একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ‘বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিজোরামের লুংলেই জেলার কওরপুইছুয়া ল্যান্ড চেক পোস্ট’কে অভিবাসন চেক পোস্ট হিসেবে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এই সীমান্ত দিয়ে বৈধ ট্রাভেল ডকুমেন্ট সাথে নিয়ে সমস্ত শ্রেণীর যাত্রী ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত করতে পারবেন।

মূলত কালাদান বহুমুখী প্রকল্পের কারণেই ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত বরাবর মিজোরামের জোরিনপুরিকে নতুন ল্যান্ড কাস্টমস স্টেশন (এলসিএস) হিসাবে বেছে নেয়া হয়েছে। মিয়ানমারের সিট্টওয়ে সমুদ্র বন্দর থেকে ২৮৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই জোরিনপুরি।

২০১২ সালের মে মাসে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের মিয়ানমার সফরকালেই জোরিনপুরি নিয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। অন্যদিকে বাংলাদেশ নদী সীমান্ত বরাবর মিজোরামের একটি এলাকা হল কওরপুইছুয়া।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।