১০ জুলাই, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৪ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

বনকর্মীদের বিচক্ষনতায় সেগুন কাঠসহ ট্রাক ফেলে পালালো বন খেকোরা

বিশেষ প্রতিবেদক:

রাতের আঁধারে পাচার করতে গিয়ে বনকর্মিদের ধাওয়া খেয়ে বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠসহ মিনি ট্রাক ফেলে পালালো পাচারকারী বন খেকোরা। বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ভোররাত ৩টার দিকে কক্সবাজারের রামুর উখিয়ার ঘোনা এলাকার সড়ক থেকে কাঠসহ ট্রাকটি জব্দ করা হয় বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের স্পেশ্যাল টিমের ওসি একেএম আতা এলাহী। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগেও গত ১৪, ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি চকরিয়ার বানিয়াছড়া, নলবিলা, রামুর জোয়ারিয়ানালাসহ বিভিন্ন এলাকায় রাতের অভিযানে ৬টি গাড়ীসহ বিপুল পরিমান গোলকাঠ, জ্বালানি কাঠ ও পাহাড়ী বালি জব্দ করেছে উত্তর বনবিভাগের বিশেষ টহল দল।

জব্দকৃত সেগুন কাঠ ও অন্য বনজদ্রব্যের বাজার মুল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা বলে উল্লেখ করেছেন অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের সদর রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা ও বিশেষ টহল দলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আতা এলাহী।

তিনি জানান, বুধবার দিনগত রাত ১২টার দিকে খবর আসে রামুর উখিয়ার ঘোনা হতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সেগুন কাঠ পাচারের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। সংবাদ পেয়েই উত্তর বনবিভাগের জোয়ারিয়ানালা, মেহেরঘোনা রেঞ্জের কর্মরতদের সহযোগিতায় অভিযান চালানো হয়। তথ্য মতো সড়কে উৎপেতে থাকে বনকর্মিরা। হঠাৎ কাঠ লোড করা একটি ট্রাক রাস্তায় এলে থামতে সংকেত দেয়া হয়। তখন ট্রাকটি পালিয়ে উখিয়ার ঘোনা এলাকায় চলে যায়। ধাওয়া খেয়ে রাস্তার ধারে ট্রাক ও কাঠ ফেলে পালিয়ে যায় চালকসহ পাচারকারীরা। পরে কাঠসহ ট্রাকটি মেহোরঘোনা রেঞ্জে জমা রাখা হয়েছে।

এতে আনুমানিক ৩০০ ঘনফুট সেগুনকাঠ হতে পারে এবং এর বাজার মূল্য প্রায় ৯ লাখ টাকা হতে পারে বলে কাঠ ব্যবসায়ীদের ধারণা।

তিনি আরো জানান, গত কয়েক রাত নিয়মিত অভিযানে জেলার বিভিন্ন স্থানে পৃথক পৃথক অভিযান চালানো হয়। অভিযানে বিপুল পরিমাণ বনের কাঠ ও বালু ভর্তিসহ ৬ গাড়ী জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় বন অপরাধে বিধিমোতাবেক পৃথক বন মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন সরকার বলেন, শীত একটু কমার সাথে সাথে রাতের বেলা বেপরোয়া হয়ে কাঠ পাচারে নেমেছে। বন বিভাগের স্পেশাল টীমও রাত ভর মাঠ চষে বেড়িয়ে জালে ফেলছে বনখেকোদের। বৃহস্পতিবার ভোররাতেও বিপুল পরিমাণ মূল্যবান সেগুন কাঠ জব্দ করা হয়েছে। বন ও পাহাড় রক্ষায় এ অভিযান অব্যহত থাকবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।