২৯ জুন, ২০২৬ | ১৫ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১৩ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারবে মাঠপর্যায়ের পুলিশ

0249017_kalerkantho-16-12-23
মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেতে যাচ্ছেন। পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দরবার করার কথাও রয়েছে। দুটিই প্রথমবারের মতো ঘটতে যাচ্ছে আগামী পুলিশ সপ্তাহে।

আগামী ২৩ জানুয়ারি শুরু হবে পুলিশ সপ্তাহ ২০১৭। ২৬ জানুয়ারি শেষ হবে। এ উপলক্ষে পুলিশ সদর দপ্তর ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সূত্র জানায়, এবারের পুলিশ সপ্তাহে একগুচ্ছ দাবি আদায়ের পরিকল্পনা করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। আবাসিক সংকটের সমাধান, পুলিশ আইন সংস্কার ও স্বতন্ত্র পুলিশ বিভাগ গঠন, পুলিশি হেফাজতে মৃতদের বিষয়ে তদন্ত করার ক্ষমতাও পুলিশের হাতে রাখা, ঝুঁকি ভাতা আরো বাড়ানো প্রভৃতি দাবি জানানো হবে সরকারের কাছে।

এ প্রসঙ্গে পুলিশের মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হক বলেন, আগামী পুলিশ সপ্তাহ সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে কিছু দাবি উত্থাপন করা হবে। তিনি জানান, এবার পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দরবার কর্মসূচি রাখা হয়েছে। বিষয়টি অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সদর সূত্র জানায়, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের কারণে পুলিশ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না—এ অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এবারের পুলিশ সপ্তাহে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরে প্রতিকারের দাবি জানানোর প্রস্ততি নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া আবাসন ও যানবাহন সংকট দূর করা, স্বতন্ত্র পুলিশ বিভাগ গঠন, ঝুঁকি ভাতা বাড়ানোসহ ১৮টি দাবি তুলে ধরা হবে। ইতিমধ্যে দাবিনামার খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে।

একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দরবারে পুলিশের সব ইউনিট থেকে প্রতিনিধি রাখা হবে। কনস্টেবল থেকে ডিআইজি পর্যন্ত মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা থাকবেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও থাকবেন। তিনি জানান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর বার্ষিক অনুষ্ঠানে দরবার হয়। এবার পুলিশ সপ্তাহে দরবার কর্মসূচি রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হারুন উর রশীদ বলেন, ‘কী কী বিষয় তুলে ধরব সেটা এখনো চূড়ান্ত করিনি। পুলিশ সপ্তাহের আগে সভা ডেকে আলাপ-আলোচনা করে বিষয়গুলো চূড়ান্ত করব।’

পুলিশ সদর দপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, ২০০৭ সাল থেকে পুলিশ আইন আটকে আছে। প্রস্তাবিত ওই আইন পাস হলে পুলিশের ওপর রাজনৈতিক খবরদারির সুযোগ কমবে। রাজনৈতিক চাপে পুলিশ সুপার থেকে আইজিপি পর্যন্ত কাউকে বদলি বা চাকরিচ্যুত করা যাবে না। পুলিশের নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে প্রভাবশালী ব্যক্তির মৌখিক, লিখিত বা টেলিফোনে সুপারিশ ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। আগামী পুলিশ সপ্তাহে আইনটি পাসের দাবি জানানো হবে। তাঁরা বলেন, পুলিশের জন্য সচিব পদমর্যাদায় আরো তিনটি গ্রেড-১ পদ সৃষ্টি এবং স্বরাষ্ট মন্ত্রণালয়ের অধীনে পুলিশের জন্য স্বতন্ত্র বিভাগ গঠনের দাবিও জানানো হবে। কর্মঘণ্টা নির্ধারণের দাবিও জানানো হবে।

সূত্র জানায়, জেলা পর্যায়ের থানাগুলোকে আরো আধুনিক করা, জেলা পর্যায়ে মোবাইল ট্র্যাকার এবং আইসিটি সরঞ্জাম সরবরাহের দাবিও জানানো হবে।

পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে একটি কমিটি করা হয়েছে; এর প্রধান আইজিপি। ইতিমধ্যে কমিটি কয়েকটি বৈঠক করেছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।