১৩ জুলাই, ২০২৬ | ২৯ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ২৭ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক

প্রত্যাবাসন বিরোধী এনজিও’দের কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে : ডিসি কামাল হোসেন

মুহাম্মদ আবু সিদ্দিক ওসমানী: রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প গুলোতে আর লাগামহীন কোন কর্মকান্ড কাউকে করতে দেয়া হবেনা। ক্যাম্পে কর্মরত কোন এনজিও বা আইএনজিও রোহিঙ্গা শরনার্থী প্রত্যাবাসন বিরোধী কোন কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদের সাথে সাথে কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে। গত ২৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত অনুমোদনহীন রোহিঙ্গা সমাবেশের বিষয়ে বহুমুখী তদন্ত চলছে। এরমধ্যে যদি কোন এনজিও অথবা আইএনজিও রোহিঙ্গা শরনার্থী প্রত্যাবাসন বিরোধী কাজে পরোক্ষভাবেও জড়িত ছিল বলে অভিযোগ পাওয়া যায়, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। এজন্য গোয়েন্দা নজরদারিও অনেক বাড়ানো হয়েছে। এ তদন্তে সাম্প্রতিক সময়ে কার কি ধরনের নেতিবাচক ভূমিকা ছিলো তা পূঙ্খানুপুঙ্খরূপে উঠে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বৃহস্পতিবার ২৯ আগস্ট কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শহীদ এটিএম জাফর আলম সিএসপি সম্মেলন কক্ষে মাসিক এনজিও সমন্বয় সভায় জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন সভাপতির বক্তব্যে এ হুশিয়ারি দেন। এসময় রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্পে কর্মরত প্রায় সকল এনজিও’র প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এ সমন্বয় সভাটি মূলতঃ গত ২৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত রোহিঙ্গা শরনার্থী সমাবেশ ও গত ২২ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় ব্যর্থ প্রত্যাবাসন নিয়েই আলোচনা সীমাবদ্ধ ছিলো। জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন বলেন-ক্যাম্পে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ডিউটি শেষে বিকেলে কক্সবাজার চলে আসে। তাই প্রতিদিন সন্ধ্যা হতে পরদিন সকাল ৮/৯ টা পর্যন্ত রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প গুলোতে কোন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা থাকেননা। তাই এ সময়ে রোহিঙ্গা শরনার্থীরা অপরাধ কর্মে জড়িত হয়ে পড়ে। তখন স্থানীয় জনগোষ্ঠী হুমকির মুখে পড়ে। এজন্য রোহিঙ্গা শরনার্থী ক্যাম্প গুলোতে সরকারি দায়িত্বশীল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাত্রে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া ক্যাম্প গুলোতে প্রয়োজনীয় সরকারি লোকবল বৃদ্ধি করা হবে। জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন সভায় আরো বলেন, গত ২৫ আগস্টের সমাবেশে কত হাজার রোহিঙ্গার সমাবেশ ঘটেছে সেটা সুনির্দিষ্টভাবে নাজানলেও এ সমাবেশে ৬৫ হাজার টি শার্ট সরবরাহ করা হয়েছে মর্মে নিশ্চিত হয়েছি। এছাড়া একইদিন সমাবেশে ইংরেজি লেখা পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন, প্লেকার্ড, হ্যান্ড মাইক, লুঙ্গি ইত্যাদি কোত্থেকে, কিভাবে এসেছে তাও তদন্ত করা হচ্ছে। তিনি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সতর্কতার সাথে সরকারি সকল নির্দেশনা পালনের জন্য এনজিও প্রতিনিধিদের প্রতি আহবান জানান। সভায় এডিসি (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার, এডিসি (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ আল আমিন পারভেজ, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, জেলা জাসদের সভাপতি নঈমুল হক চৌধুরী টুটুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।