মূল খবরে যান

শিরোনাম
● কম খরচে প্রসূতি সেবা দিয়ে প্রশংসিত ডা. রোকসানা● শ্মশানের দেয়াল ভাঙার অভিযোগে ক্ষোভ, ৮ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে উখিয়ায় দুর্গাপূজা বন্ধের সিদ্ধান্ত● কৃষকের যত চ্যালেঞ্জ● খালেকুজ্জামান এমন রাজনীতির জন্ম দিয়েছেন মানুষ এখনো মুগ্ধ হয়ে আছেন● ফাল্গুনী মেকওভার পার্লারে নিম্নমানের সাজ, নারীদের হয়রানি-হুমকি ‘আমাদের বিরুদ্ধে রিভিউ দিলেও আমাদের কিছু যায়-আসে না’● সম্প্রতি উখিয়ায় সার ডিলার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে “গণসংযোগ” ও “উখিয়া বার্তা” নামক অনলাইন সংবাদমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে● সাহসিকতা ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পিপিএম পদক পেলেন ওসি মনিরুল ইসলাম ভূইয়া● অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মাহমুদুল হক সিকদারে’র জানাযার নামাজ সম্পন্ন● ঢাবি কক্সবাজার স্টুডেন্টস ফোরামের নতুন নেতৃত্বে এমরান-তারেক-সাহিক● উখিয়া প্রেসক্লাবে নতুন নেতৃত্বের শপথ, দায়িত্ব হস্তান্তর ও নবীন সদস্য বরণ

পাসপোর্ট জালিয়াতি করতে গিয়ে ধরা পড়ল দুই মহিলা

শেয়ার করুন

আতিকুর রহমান মানিকঃ কক্সবাজারে পাসপোর্ট জালিয়াত দুই মহিলাকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে। ভিন্ন দুই মহিলার জন্ম নিবন্ধন সনদ, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট ও অনুষাঙ্গিক কাগজপত্রের সাথে নিজেদের ছবি সংযোজন করে পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য আবেদন করার দায়ে বুধবার দুপুরে কক্সবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে এদের আটক করে পুলিশ।

কক্সবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সূত্রে প্রকাশ, উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়নের রুমখাঁ নতুন পাড়ার অলী আহমদের দুই মেয়ে ছেনুয়ারা ও তৈয়বা বেগমের নামে জন্ম নিবন্ধন সনদ, চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট ও অন্যান্য কাগজপত্র সহকারে দুইটি পাসপোর্ট আবেদন জমা দেয়ার জন্য জমা কাউন্টারে দাঁড়ায় দুই মহিলা। সহকারী পরিচালক আবু নাঈম মাসুম নিজেই এসময় আবেদন কাউন্টারে বসে পাসপোর্ট আবেদন জমা নিচ্ছিলেন। সহোদরা দুই বোনের নামে আবেদন ফাইল দুটি’র কাগজ পত্র, কথাবার্তা ও  মহিলাদ্বয়ের মুখাবয়বে অসঙ্গতি দেখে সন্দেহ হলে দুটি ফাইলই আটকে রাখেন তিনি। পরে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে আপন বোন নয় বলে স্বীকার করে ও পরস্পর চাচাতো বোন বলে দাবী করলে জালিয়াতির বিষয়টি স্পষ্ট হয় । এভাবে অন্যের নামীয় কাগজপত্রের সাথে নিজেদের ছবি লাগিয়ে পাসপোর্ট জালিয়াতি প্রচেষ্টার বিষয়টি প্রমানিত হলে এরপর তাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। জালিয়াত দুই মহিলা বর্তমানে সদর মডেল থানা হাজতে আটক আছে ও এদের বিরূদ্ধে আইনগত ব্যবস্হা নেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। তাদের প্রকৃত পরিচয় পাওয়া যায়নি। কক্সবাজার অাঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক আবু নাঈম মাসুম উপরোক্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অত্র  অফিসে প্রতিদিন প্রতিটি পাসপোর্ট আবেদন গ্রহন থেকে প্রসেসিং ও ডেলিভারী পর্যন্ত প্রত্যেক ধাপে নিবিড় তদারকির ফলে এদের আটক করা সম্ভব হয়েছে। পাসপোর্ট সেবাকে হয়রানিমুক্ত ও দালালমুক্ত করার জন্য সার্বিক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন