৩ মে, ২০২৬ | ২০ বৈশাখ, ১৪৩৩ | ১৫ জিলকদ, ১৪৪৭


শিরোনাম
  ●  বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আবদুল হাই এর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ   ●  গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জেন্ডার ও জলবায়ু বিষয়ক আলোচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত   ●  ঘুমধুমে অবৈধ পাহাড় কাটা: ডাম্প ট্রাকে মাটি যাচ্ছে বদির ক্যাশিয়ার আঃলীগ নেতা খাইরুল আলম চৌধুরী’র ইটভাটায়   ●  সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) শাহিনুর ইসলামের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিবাদ   ●  ছাত্রদল নেতা হত্যা মামলার আসামি হলেন রামু থানার নবাগত ওসি আরমান   ●  ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের টিমের সঙ্গে সাউথ কোরিয়া গেলেন লায়ন মো. মুজিবুর রহমান   ●  কক্সবাজার সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পেলেন উখিয়ার ডা. নুরুল আবছার শিমুল   ●  উখিয়ায় বসতভিটা দখলকে কেন্দ্র করে হামলা: নারী-পুরুষসহ আহত ৪, এলাকায় আতঙ্ক   ●  বার কাউন্সিলে উত্তীর্ণ সিবিআইইউ শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা   ●  এআই বিষয়ে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে সেমিনার

পাকিস্তানের মাজারে বোমা বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাড়িয়েছে ৪৩, অাহতের সংখ্যা প্রচুর

_92414813__92414229_9f21d1ab-6d7a-4178-bba4-5e399eb2a29c
দক্ষিণ পাকিস্তানে এক পীরের মাজারে বোমা বিস্ফোরণে অন্তত ৪৩ জন প্রাণ হারিয়েছে বলে পাকিস্তানি কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন । আহত হয়েছে আরও বহু লোক।
বন্দর শহর করাচির উত্তরে এক প্রত্যন্ত এলাকায় শাহ নূরানী নামের এক মাজারে ওই বিস্ফোরণ ঘটে যখন সূর্যাস্তের সময় সেখানে ভক্তদের নাচ গান হচ্ছিল।
প্রত্যন্ত খুজদার প্রদেশের শাহ নূরানী নামে এই মাজারটিতে প্রতিদিনই সূর্যাস্তের সময় ভক্তদের নাচ হয়। এই নাচকে বলে ধামাল এবং দলবদ্ধ এই নাচের সময় ভক্তেরা একটা ঘোরের মধ্যে চলে যান।
প্রতিদিনের মতো আজও যখন এই নাচ চলছিল, তখনই এই বোমা বিস্ফোরণ ঘটে।
খবরে বলা হচ্ছে ঐ নাচের জন্য সেখানে অন্তত ৫০০ জন ভক্ত জড়ো হয়েছিলেন।
করাচি শহরে একজন নামকরা সুফি গায়ক আমজাদ সাবরিকে গুলি করে হত্যার কয়েক মাস পর এই ঘটনা ঘটল।
বিস্ফোরণে বহু নিহত ছাড়াও ৭০ জনেরও বেশি লোক আহত হয়েছেন।
তাদের করাচি শহরের হাসপাতালগুলোতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
_92414805__92414064_669068d5-5bc8-419a-879c-0874bbd211c3-copy
তবে জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রত্যন্ত এই জায়গাটিতে পৌঁছতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
প্রত্যন্ত ওই স্থানে অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছতে সময় লেগেছে কয়েক ঘন্টা।
_92414806__92412036_khuzdar
সুফিবাদকে ইসলাম ধর্মের একটি সহিষ্ণু এবং আধ্যাত্মিক ধারা বলে মানা হয়।
কিন্তু চরমপন্থীরা এর বিরোধী।
বালোচিস্তান প্রদেশে চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলো এ বছর একাধিকবার বেসামরিক লোকদের লক্ষ্য করে আক্রমণ চালিয়েছে।
অক্টোবর মাসে কোয়েটা শহরে একটি পুলিশ কলেজে এক আক্রমণে বহু লোক নিহত হয়।
এর আগে আগস্ট মাসে আক্রমণ চালানো হয় একটি হাসপাতালে যাতে ৭০ জন নিহত হয়।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াজ শরিফ এই আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। বিবিসি

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।