২৬ জুলাই, ২০২৬ | ১১ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১১ সফর, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন এম মনজুর আলম মেম্বার   ●  টেকনাফে সরকারী জমি ও ভবন দখল!   ●  প্রতিক্রিয়া : ৫ না ৮—রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসলে কতজন নিহত? সংখ্যার এই বিভ্রান্তির দায় কার?   ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ

দীর্ঘ এক যুগের বেশি উন্নয়ন বঞ্চিত উখিয়া-ডিগলিয়া সড়ক


উখিয়া উপজেলার পূর্বাঞ্চলীয় ২৫ হাজার মানুষের একমাত্র যোগাযোগ মাধ্যম উখিয়া-ডিগলিয়া সড়ক। প্রতিনিয়ত ৫হাজার মানুষ এ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে থাকে। পূর্বাঞ্চলীয় মানুষের তরি-তরকারী, শাক-সবজি বাজারে আনতে হয় এ সড়ক দিয়ে। ২০০২সালে তৎকালীন সরকারের আমলে উখিয়ার ডিগলিয়া টু ডেইলপাড়া-করইবনিয়ার পর্যন্ত সড়কে ব্রিক সলিনের সম্পন্ন হয়। পরবর্তী একাধিক জনপ্রতিনিধি প্রকাশ্যে জনসভায় সড়কটি কার্পেটিং করার হবে বলে ওয়াদা দিলেও দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় অতিবাহিত হয়ে গেলেও ওই সব জনপ্রতিনিধিরা কথা রাখেনি বলে জানিয়েছেন স্থানীয় পথচারী ও ব্যবসায়ীরা। যার ফলে বর্তমানে সড়কে খানা-খন্দক ও গর্ত সৃষ্টি হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধের উপক্রম হয়েছে।
সরজমিন উপজেলার প্রত্যান্ত, অবহেলিত, উন্নয়ন বঞ্চিত, এই সড়ক ঘুরে স্থানীয় এলাকাবাসির সাথে কথা বলে জানা গেছে, পশ্চিম ডিগলিয়া থেকে করইবনিয়া ও ডেইলপাড়া সড়কটি দীর্ঘ ১যুগ পুর্বে কিছুটা উন্নয়ন হলেও এরপর থেকে একাধিক মেম্বার, চেয়ারম্যান, এমপি প্রকাশ্য জনসভায় দাড়িয়ে বড় গলায় স্থানীয় লোকজনকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট আদায় করার পর আর তাদের দেখা মেলেনি। কামাল হোসন নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী ওই সব জনপ্রতিনিধিরা আগামীতে আমাদের কাজ থেকে ভোট দাবী করলে তাদেরকে ভোটের পরিবর্তে অপমাণিত করা হবে। তিনি এসময় বলেন, এ সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত কয়েক লক্ষ টাকার কাঁচা মালামাল উখিয়া বাজারে নিয়ে বিক্রি করা হয়। সরকার ওই সব কাঁচা মালামাল থেকে বিপূল পরিমাণ রাজস্ব পেলেও সড়কটি ব্যাপারে কোন মাথা ব্যথা নেই। স্থানীয় ইউপি সদস্য মীর সাহেদুল ইসলাম রুমান চৌধুরী বলেন, গত ১৪ বছরে এ সড়কে কোন প্রকার উন্নয়ন হয়নি। এমনকি সড়কের মাঝে মাঝে যে সমস্ত খানা খন্দক সৃষ্টি হয়েছে তাতেও এক গাড়ী বালি দিয়ে সংস্কার করা হয়নি। তার নিজস্ব অর্থায়ানে বহুবার সড়কটি সংস্কার করা হয়েছে বলে এ প্রতিবেদককে জানান। স্থানীয় পথচারী জামাল উদ্দিন বলেন, সড়কটি কার্পেটিং করা হলে পূর্বাঞ্চলীয় জনপদের ২৫হাজার মানুষের দুঃখ দুর্দশা দুর হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত করে সহ¯্রাধিক পরিবার উপকৃত হবে।
উখিয়া এলজিইডি অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সোহারাব হোসেন এর কাজ থেকে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সড়কটি সড়কটি কার্পেটিং এর ব্যাপারে একাধিকবার লিখিত কাগজপত্র উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে, আশা করি আগামী বর্ষার আগেই কার্পেটিং কাজ শুরু করা হবে ।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।