২৮ জুন, ২০২৬ | ১৪ আষাঢ়, ১৪৩৩ | ১২ মহর্‌রম, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  লম্বরীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নেতৃত্বে রমজান আলী   ●  পাতেলী খালের তীরে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ৪৭ বছর পর আবারও আলোচনায় শাহজাহান চৌধুরী   ●  মরিচ্যা বাজারের মডেল মসজিদ ও মার্কেট পরিদর্শনে ইউএনও রিফাত আসমা   ●  দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোল রক্ষক জিকুকে সংবর্ধিত করলো ক্রীড়া সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বিএসপিএ   ●  কৃষিখাতের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করছে সরকার   ●  বদরখালী সমবায় কৃষি ও উপনিবেশ সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় এমপি জাফর আলম   ●  টেকনাফে প্যারাবনে আটটি বস্তায় মিলল বিদেশি৩৮৮ক্যান বিয়ার ও৭৬ বোতল মদ   ●  মানুষের কথা বলেই যাবে কক্সবাজার বার্তা   ●  টেকনাফে বিদেশী হুইস্কিসহ মাদক কারবারী আটক   ●  নজিবুল ইসলামের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি : গ্রামীণ জনপদের মানুষের মুখে হাসি

টেকনাফ নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের হামলায় পুলিশের আইসি আহত :আটক-৩

হুমায়ূন রশিদ,(টেকনাফ): টেকনাফে মোচনী নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের হামলায় দায়িত্বরত পুলিশের আইসি আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩জনকে আটক করেছে।
জানা যায়,২১অক্টোবর সকাল পৌনে ৯টায় উপজেলার নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্প অভ্যন্তরে কমিউনিটি সেন্টার ও বার্মিজ ল্যাংগুয়েজ ল্যাব সংলগ্ন এলাকায় একদল রোহিঙ্গা (হাঙ্গার স্ট্রাইক) দোকান বসানোর চেষ্টা চালায়। তখন ক্যাম্পে দায়িত্বরত পুলিশের আইসি কবির হোসেন বাঁধা প্রদান করলে মৃত কালা মিয়ার পুত্র ছৈয়দ আহমদ প্রকাশ নাপাইংগ্যা,ছালেহ আহমদ ওরফে হাফেজের পুত্র ইব্রাহীম,মোঃ ইউসুফ, ছৈয়দ আহমদের স্ত্রী দিল বাহার,আরফা,মৃত আব্দুস শুক্কুরের পুত্র ছালেহ আহমদ,ছৈয়দ আহমদের ছেলে মোঃ হোছনসহ ১০/১২জন নারী-পুরুষ মিলে কর্তব্যরত আইসির উপর হামলা চালায়। এতে তিনি মাথা, হাতে এবং পায়ে আঘাতপ্রাপ্ত হন। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। হামলার শিকার আইসি কবির জানান,দোকান করতে বাঁধা দেওয়ায় উগ্রপন্থী রোহিঙ্গারা পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন সিদ্দিক ও থানার পরিদর্শক (অপারেশন) শফিউল আজম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এই ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হলে দুপুরে অভিযান চালিয়ে এক নারী ও দুই শিশুকে আটক করা হয়েছে। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য,সরকার রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিক আচরণের সুযোগে কতিপয় রেশর বিরোধী রোহিঙ্গা খোড়া অজুহাতে স্থানীয়দের নানা কৌশলে হয়রানি করে আসছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বিবেচনা করে রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে সর্তক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য স্থানীয়দের পক্ষ থেকে দাবী উঠেছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।