২২ আগস্ট, ২০২৬ | ৭ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ৮ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮


শিরোনাম
  ●  দোকান মালিক সমিতি ফেডারেশন নির্বাচনে সভাপতি পদে এগিয়ে আবুল হাশেম   ●  সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাবের এর নেতৃত্বে উখিয়া উপজেলার বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতাল ও ডায়াগন্টিক সেন্টার পরিদর্শন   ●  কক্সবাজার পুলিশ সুপারকে ঘিরে তিনজনের বদলি-পদায়ন বাণিজ্য   ●  পৌরসভার অর্থায়নে সেগুনবাগিচায় ৪টি রাস্তা নির্মাণ শুরু   ●  উখিয়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা, রক্তদান ও উন্নত খাবার বিতরণ   ●  আলোচিত ৫০ হাজার পিস ইয়াবা আটকের মামলায় নাম নেই ইয়াবার মুল মালিক ডালিম ও ভুট্টোর   ●  ফরেস্ট রেঞ্জার্স ডে উপলক্ষে রাঙ্গুনিয়া ইকোপার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন   ●  জবিস্থ কক্সবাজার ছাত্রকল্যাণের নেতৃত্বে কলিম-নয়ন   ●  হলদিয়াপালং ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক উত্তর শাখার ৭ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি অনুমোদন   ●  হাসপাতাল ছাড়লেন আহত ৫ বনকর্মী, এসিএফ’র নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন

টেকনাফ নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের হামলায় পুলিশের আইসি আহত :আটক-৩

হুমায়ূন রশিদ,(টেকনাফ): টেকনাফে মোচনী নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের হামলায় দায়িত্বরত পুলিশের আইসি আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৩জনকে আটক করেছে।
জানা যায়,২১অক্টোবর সকাল পৌনে ৯টায় উপজেলার নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্প অভ্যন্তরে কমিউনিটি সেন্টার ও বার্মিজ ল্যাংগুয়েজ ল্যাব সংলগ্ন এলাকায় একদল রোহিঙ্গা (হাঙ্গার স্ট্রাইক) দোকান বসানোর চেষ্টা চালায়। তখন ক্যাম্পে দায়িত্বরত পুলিশের আইসি কবির হোসেন বাঁধা প্রদান করলে মৃত কালা মিয়ার পুত্র ছৈয়দ আহমদ প্রকাশ নাপাইংগ্যা,ছালেহ আহমদ ওরফে হাফেজের পুত্র ইব্রাহীম,মোঃ ইউসুফ, ছৈয়দ আহমদের স্ত্রী দিল বাহার,আরফা,মৃত আব্দুস শুক্কুরের পুত্র ছালেহ আহমদ,ছৈয়দ আহমদের ছেলে মোঃ হোছনসহ ১০/১২জন নারী-পুরুষ মিলে কর্তব্যরত আইসির উপর হামলা চালায়। এতে তিনি মাথা, হাতে এবং পায়ে আঘাতপ্রাপ্ত হন। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। হামলার শিকার আইসি কবির জানান,দোকান করতে বাঁধা দেওয়ায় উগ্রপন্থী রোহিঙ্গারা পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন সিদ্দিক ও থানার পরিদর্শক (অপারেশন) শফিউল আজম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এই ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হলে দুপুরে অভিযান চালিয়ে এক নারী ও দুই শিশুকে আটক করা হয়েছে। টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য,সরকার রোহিঙ্গাদের প্রতি মানবিক আচরণের সুযোগে কতিপয় রেশর বিরোধী রোহিঙ্গা খোড়া অজুহাতে স্থানীয়দের নানা কৌশলে হয়রানি করে আসছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বিবেচনা করে রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে সর্তক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য স্থানীয়দের পক্ষ থেকে দাবী উঠেছে।

এই ওয়েব সাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।